বাঘা-আড়ানী সড়কে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ

আপডেট : ২১ জুন ২০১৯, ০০:০৩

বাঘা-আড়ানী সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার এলাকাবাসীর বাধার মুখে বন্ধ হয়ে যায় সড়কটির নির্মাণ কাজ। এলাকাবাসীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল  বৃহস্পতিবার রাজশাহী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সরেজমিন বাঘা-আড়ানী সড়কের নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বলেন, রাস্তায় যে বালি ব্যবহার করা হচ্ছে তা নিম্নমানের। পরে ল্যাব গবেষণাগারের পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ধরা পড়ে শুধু বালিই নিম্নমানের নয়, বালি ও পাথরের অনুপাতও সঠিক নেই। বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সামনে নির্মাণ কাজের পরীক্ষার সময় রাজশাহী সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শামসুজ্জোহা, নির্মাণ কাজ তদারকিতে থাকা উপ-সহকারী প্রকৌশলী আলতাফ হোসেন, উপ-সহকারী প্রকৌশলী সানজিদা আফরিন, ঠিকাদার হারুন-অর-রশিদ, বাঘা উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট লায়েব উদ্দীনসহ স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, রাজশাহীর ‘বাঘা-আড়ানী’ সড়কের ১১ কিলোমিটার রাস্তার নির্মাণ কাজের আর মাত্র দেড় কিলোমিটার বাকি। নির্মাণ কাজটির প্রাক্কলিত ব্যয় প্রায় ১৮ কোটি টাকা। যশোরের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মইনুদ্দীন বাঁশি কাজটি পেলেও মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন রাজশাহীর হারুন-অর-রশিদ। বুধবার বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে নির্মাণ কাজ চলাকালে স্থানীয় জনগণ নিম্নমানের বালি ব্যবহার, দরপত্রে বর্ণিত বালি ও পাথরের অনুপাত ঠিক না থাকা, পর্যাপ্ত পানি ব্যবহার না করা এবং কার্পেটিংয়ের আগে বালি পরিষ্কার করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ তোলেন। অভিযোগের বিষয়টি নির্বাহী প্রকৌশলীকে (সওজ) জানানো হলে তিনি কাজ  বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়ে সড়ক পরিদর্শনের আশ্বাস দেন।

এদিকে বৃহস্পতিবার দুপুরে নির্বাহী প্রকৌশলী ঘটনাস্থলে এসেই পাথরের সঙ্গে যে বালি মেশানো হয়েছে তা নিম্নমানের বলে মন্তব্য করেন। পরে গবেষণাগারের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান ঘটনাস্থলে এসে পাথর ও বালির অনুপাত নির্ণয় করে বলেন, নিয়ম অনুযায়ী ৭০ ভাগ পাথর ও ৩০ ভাগ বালি থাকার কথা থাকলেও পরীক্ষায় ৬০ ভাগ পাথর ও ৪০ ভাগ বালি পাওয়া গেছে।

এ ব্যাপারে ঠিকাদারের প্রতিনিধি সেকেন্দার আলী বলেন,      অল্প জায়গায় এ অনিয়ম হয়েছে, মাল মিক্সার করে ঠিক করে     দেওয়া হবে।