কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে কদম আলী নামে এক ব্যবসায়ীর চাঁদাবাজির মামলা ৩ দিনেও রেকর্ড করেনি পুলিশ। শনিবার (৮ এপ্রিল) বিকাল ৫টার দিকে উপজেলার রৌমারী বাজারের রাকিব ব্রাদার্স টাইলস এন্ড স্যানিটারি স্টোরে চাঁদা দাবির এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযুক্তরা হলেন উপজেলার টিএন্ডটিপাড়া গ্রামের হারুন অর রশিদ খন্দকারের ছেলে ও উপজেলা শেখ রাসেল শিশু-কিশোর পরিষদের সভাপতি রিয়াদ হোসেন (২৪), মণ্ডলপাড়া গ্রামের টুলু মিয়ার ছেলে রাসেল আহমেদ জনি (২২), রৌমারী গ্রামের ওয়াজেদুলের ছেলে অপূর্ব (২৭), লাল মিয়ার ছেলে বাবু মিয়া (২৭) ও বিপ্লব হোসেন (২৯)।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী কদম আলী বলেন, শনিবার বিকাল ৫টার দিকে টিএন্ডটি মোড়ের সামনে মোটরসাইকেলে করে রিয়াদ হোসেনসহ ৫-৬ জন তার ব্যবসার মালামাল বহনকারী একটি ট্রাককে আটক করে চালকের কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রতিবাদ করলে তারা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি-ধামকি দেয়। এ সময় তারা বলে- ব্যবসা করতে হলে তাদের সঙ্গে সমঝোতা করে করতে হবে। পরে বনিক সমিতির সভাপতি প্রদীপ কুমার সাহা, হাজী তাহা মিয়া, হাজী রফিকুল ইসলামসহ ২০-২৫ জনকে নিয়ে থানায় অভিযোগ করেন। কিন্তু ঘটনার ৩ দিনেও মামলা রেকর্ড করেনি পুলিশ।
ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি প্রদীপ কুমার সাহা বলেন, ঘটনার ৩ দিন অতিবাহিত হলেও মামলা রেকর্ড হয়নি। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।
রৌমারী থানার ওসি রুপকুমার সরকার বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
