ব্রণ সমস্যা আর নয়

আপডেট : ১১ এপ্রিল ২০২৩, ১৬:৪৩

ত্বকের সমস্যাগুলোর মধ্যে ব্রণ সবচেয়ে কমন, যার ভুক্তভোগী নারী-পুরুষ সবাই। সারা বিশ্বে প্রায় ৮০০ মিলিয়ন মানুষ এ সমস্যায় ভুগছেন। বয়ঃসন্ধিকাল, হরমোনের সমস্যা, অতিরিক্ত দুঃশ্চিন্তা, রাত জাগা অথবা জীবনযাপনের অনিয়ম— বিভিন্ন কারণেই ত্বকে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে।

অথচ দৈনন্দিন জীবনে কিছু নিয়ম মানলেই ব্রণ সমস্যা থেকে ত্বক থাকবে সুরক্ষিত। তাই ব্রণ সমস্যা নিয়ে চিন্তিত না হয়ে জীবনযাপনে আনুন কিছু পরিবর্তন: 

  • খাবার তালিকায় রাখুন প্রচুর ফলমূল ও শাকসবজি। এড়িয়ে চলুন ভাজাপোড়া ও মসলাদার খাবার। যাদের ফাংগাল ব্রণের সমস্যা, তারা খাবারে ইস্ট আছে যেমন বার্গার, পিজা,  পেটিস—এগুলো বাদ দিন। চা-কফির পরিমাণ কমিয়ে পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
  • ত্বক রাখতে হবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। সম্ভব হলে দিনে তিন থেকে চারবার ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। এতে তৈলাক্ত ভাব যেমন কমবে, ত্বকের পোরসে ধুলা-ময়লাও জমবে না।
  • যেসব ছেলেদের ত্বক ব্রণযুক্ত, তাদের ঘন ঘন শেভ না করাই ভালো। এতে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।
  • চুলে তেল বা অন্য কোনো ময়েশ্চার সাবধানে দিতে হবে যাতে মুখে না লাগে।

  • নিজেকে দুশ্চিন্তামুক্ত রাখুন এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমান।
  • ব্রণ দূর করার পাশাপাশি প্রতিরোধ করতে ডার্মাটোলজিস্ট রিকমেন্ডেড প্রোডাক্ট ব্যবহার করুন ।
  • যাদের ত্বক ব্রণপ্রবণ, তাদের ত্বক পরিচর্যার রুটিন এমন হওয়া উচিত যাতে অতিরিক্ত সেবাম উৎপাদন নিয়ন্ত্রণে থাকে। পোরস পরিষ্কার থাকে আর পুরানো ব্রণ দ্রুত শুকিয়ে যায়।
  • সাধারণত ব্রণপ্রবণ ত্বকের জন্য উপযোগী কার্যকর  উপাদানগুলো হলো, গ্লাইকোলিক অ্যাসিড, স্যালিসাইলিক অ্যাসিড, ভিটামিন সি; যা ভালো মানের অ্যান্টি-অ্যাকনি প্রোডাক্টে থাকে।
  • ব্রণপ্রবণ ত্বকের জন্য ডার্মাটোলজিস্ট রিকমেন্ডেড ব্র্যান্ড সিওডিল, ক্লিনজার, সিরাম, জেল ও ক্রিমের সমন্বয়ে তৈরি করেছে একটি অ্যান্টি-অ্যাকনি লাইনআপ। ব্রণ-প্রতিরোধী ত্বক পরিচর্যার রুটিনে প্রয়োজনীয় সকল পণ্যই এ লাইনআপে আছে।
ইত্তেফাক/আরএম

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন