প্রচণ্ড গরমে হাসফাঁশ করছেন সবাই। এই সময় অন্তঃসত্ত্বা নারীদের কষ্ট যে অনেক বেশি হচ্ছে তা আর বলে দিতে হবে না। এ বিষয়ে রহিমা ম্যাটারনিটি ক্লিনিকের চিকিৎসক রহিমা আক্তার কিছু পরামর্শ দিয়েছেন।
পানি পান করতে হবে
অন্তঃসত্ত্বা নারীর শরীরে পানির ঘাটতি মানেই বিপদ। এ সময় মাথা ঘোরা, বমি বমি উদ্রেগ, প্রস্রাবের পরিমাণ কমা, ঠোট শুকিয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। আর প্রচণ্ড গরমে এই সমস্যা আরও বড় আকার ধারণ করে। তাই দিনে ৫-৮ গ্লাস পানি পান করুন।
খাদ্যাভ্যাসে মনোযোগ দিন
গর্ভাবস্থায় খাদ্যাভ্যাসে বদল আনতে হয়। খেতে ইচ্ছে না করলেও জড় করে খেতে হবে। অতিষ্ঠ হয়ে ওঠা মানুষ এই গরমে কিছুই মুখে দিতে চান না। এমনটা অনাগত শিশু ও মায়ের জন্য ক্ষতিকর হবে। এক্ষেত্রে খাবারের একটি ব্যালেন্স বজায় রাখতে হবে। প্রচুর ফল ও ফলের রস খাওয়ার পাশাপাশি ড্রাই ফ্রুট খাবেন। চকলেট ও পেস্তা বাদামও ভালো। অতিরিক্ত মশলাদার খাবার ভুলেও খাবেন না।
রোদে বের হওয়ার প্রয়োজন নেই
আসছে ঈদ। তাই অনেক সময় গর্ভাবস্থায়ও বাইরে যাওয়া হয়। এই প্রচণ্ড রোদের নিচে পুড়ে শরীরে অসুস্থতা বাড়ানোর কোনো মানে নেই। দুপুরে অন্তত আধঘণ্টা ঘুমোন। নিয়মিত বিশ্রাম নিন। প্রয়োজন না হলে পারতপক্ষে বের হবেন না। হলে ছাতা, সানগ্লাস, রোদচশমা ও পানির বোতল রাখতেই হবে। সবচেয়ে ভালো হয় সন্ধ্যার পরে বের হলে।
আঁটসাঁট পোশাক নয়
গরমে সুতির পোশাক অন্তঃসত্ত্বা নারীদের আরাম দেয়। পোশাক ঢিলেঢালা হলে নড়াচড়া করে আরাম পাবেন।
স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিতে গোসল করুন
প্রচণ্ড গরমে দুপুরের দিকে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিতে গোসল করুন। অনেক আরাম পাবেন। সুইমিং পুলে গিয়ে সাঁতারও কাটতে পারেন। তবে চিকিৎসকের সঙ্গে আগে কথা বলে নিন।
