সৌদির সঙ্গে মিল রেখে দেশে বিভিন্ন স্থানে শুক্রবার (২১ এপ্রিল) ঈদ উদযাপন করা হচ্ছে। এর মধ্যে রংপুরের গঙ্গাচড়া, সাতক্ষীরা ও ঝিনাইদহে সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ইত্তেফাকের প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো তথ্য ও ছবি।
রংপুরের গঙ্গাচড়া
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের বাগপুর জামে মসজিদের ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলার বাগপুর জামে মসজিদের ঈমাম আব্দুল বাতেন জানান, উপজেলার মহিপুর, কোলকোন্দ, বাগপুর, গঙ্গাচড়া সদর ও সুন্দরগঞ্জ এলাকার প্রায় চারশ লোক ঈদের নামাজ আদায় করেন।
সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরায় শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সাতক্ষীরার ঘোনা ইউনিয়নের ভাড়ুখালি বাজার এলাকায় ঈদের জামাত হয়। এতে ইমামতি ও খুৎবা পাঠ করেন হাফেজ মাওলানা মাহবুবুর রহমান। প্রায় অর্ধশতাধিক মুসল্লি ঈদের জামাতে অংশ নেন।
মুসল্লিরা বলেন, ১৯৮৬ সালে জর্ডানের আম্মান শহরে ওআইসির সম্মেলনে সমগ্র মুসলিম জাতিকে নিয়ে যে রেজুলেশন হয়েছিল তাতে বাংলাদেশ স্বাক্ষর করলেও তা আজও বাস্তবায়িত হয়নি। ঈদ ও রোজা একই সময়ে হবার কথা অথচ তা আলাদাভাবে পালিত হচ্ছে।
এ সময তারা ভেদাভেদ ভুলে সমগ্র মুসলমান জাতিকে একত্রিত হবার আহ্বান জানান। এছাড়া জেলার প্রায় ২০ গ্রামের মানুষ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করে।
ঝিনাইদহ
ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডুতে ঈদুল ফিরতের নামাজ আদায় করেছে কয়েকটি গ্রামে মুসল্লীরা। শুক্রবার সকালে উপজেলা শহরে ফুটবল মাঠ এলাকায় এ ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন ঈদ জামাত কমিটির সভাপতি বজলুর রহমান।
এতে উপজেলার শিঙ্গা, শিতলী, ভালকী, নিত্যানন্দপুর ও পায়রাডাঙ্গাসহ কয়েকটি গ্রামের শতাধিক মুসল্লিরা শরীক হন।
কুড়িগ্রাম
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর দুটি গ্রামে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টায় ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের ছিটাইকের ছড়া ও পাইকডাঙ্গা গ্রামে ঈদুল ফিতরের নামাজের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়।
গ্রাম দুটিতে দুইশতাধিক মোহাম্মদীয়া তরিকতের অনুসারী নারী, পুরুষ ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন। পাইকডাঙ্গা গ্রামে নামাজের ইমামতি করনে মোহাম্মদ তামিম হোসেন ও ছিটপাইকের ছড়া গ্রামে নামাজের ইমামতি করেন মোহাম্মদ মোকছেদুল ইসলাম।
লক্ষ্মীপুর
