ধান তুলতে মাঠে প্রায় সাড়ে ৪শ কম্বাইন্ড হার্ভেস্টার

আপডেট : ২৭ এপ্রিল ২০২৩, ১৩:৩২

আগাম বন্যার পূর্বাভাস থাকায় বোরো ফসল ঘরে তুলতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাঠে মাঠে প্রায় সাড়ে চারশ কম্বাইন্ড হার্ভেস্টার কাজ করছে।

চলতি রবি মৌসুমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রায় এক লাখ ১১ হাজার ৪০৫ হেক্টর জমিতে বোরোর আবাদ হয়। এর মধ্যে হাওরাঞ্চলে ৩২ হাজার হেক্টর জমি রয়েছে। জেলায় এবার ৪১ হাজার ৫ হেক্টর জমিতে ব্রি-২৮ ও ব্রি-২৯ জাতের ধান আবাদ হয়। জেলার অবশিষ্ট জমিতে আবাদ হয় ব্রি ধান ৮৮, ব্রি ধান ৮৯, ব্রি ধান ৯২, ব্রি ধান ৯৬ ও বঙ্গবন্ধু–১০০সহ অন্যান্য উচ্চ ফলনশীল জাতের। জেলার ৯ উপজেলায় এখন চলছে বোরো ধান ঘরে তোলার কাজ। ইতোমধ্যে হাওর এলাকার ৭০ ভাগ বোরো ধানসহ জেলার মোট ২৯ ভাগ জমির ধানকাটা সম্পন্ন হয়েছে।

ব্রাক্ষণবাড়িয়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সুশান্ত সাহা জানান, আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা থাকায় উৎপাদিত বোরো ধান ৮০ ভাগ পাকার সঙ্গে সঙ্গেই কৃষকদের তা কেটে ফেলার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে কৃষি বিভাগ থেকে ভর্তুকি মূল্যে সরবরাহ করা সাড়ে ৪ শতাধিক কম্বাইন্ড হার্ভেস্টার ধান দ্রুত কাটার জন্য কাজ করছে। এতে স্বল্প সময়ের মধ্যেই কৃষক উৎপাদিত ধান ঘরে তুলতে পারছে। কৃষকরা জানিয়েছেন এবার ব্রি ধান ২৮ ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হলেও অন্যান্য উচ্চ ফলনশীল জাতের তেমন উল্লেখযোগ্য কোন ক্ষতি হয়নি।

ফলে ব্লাস্টের প্রভাবে ৪৫ হেক্টর জমির ব্রি ২৮ জাতের ধান ক্ষতিগ্রস্ত হলেও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এবার ১০ হেক্টর জমিতে বোরোর আবাদ বেশি হওয়ায় সার্বিক উৎপাদনে কোনো প্রভাব পড়বে না।

ইত্তেফাক/আরএজে