আষাঢ় মাস, দেখা নেই ভারি বর্ষণের। মাঝে মাঝে হালকা বা মাঝারি ধরনের বৃষ্টির দেখা মিললেও কমছে না গরম। গরম না কমায় বাড়ছে অস্বস্তি। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, বৃষ্টি হচ্ছে আবার আকাশ মেঘলা থাকার ফলে বাতাসে প্রচুর জলীয় বাষ্প রয়েছে। ফলে যে পরিমাণ তাপমাত্রা তার চেয়ে গরম অনুভূত হচ্ছে আরও বেশি। এজন্য শরীরে ঘাম হচ্ছে বেশি।
অধিদপ্তর জানায়, এ মাসের শেষে বা জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। তখন হয়ত এই গরম থাকবে না।
এদিকে সাগরে লুঘুচাপ রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর সর্বশেষ পরিস্থিতিতে বলা হয়েছে, একটি লুঘুচাপ বর্তমানে উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তত্সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তত্সংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালার সৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরসূমহের উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
আজ শনিবার রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিলো রাজশাহীতে ৩৬ ডিগ্রি ও সর্বনিম্ন চুয়াডাঙ্গায় ২৪ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো যথাক্রমে ৩৪ দশমিক ৪ ডিগ্রি ও ২৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল ঢাকায় ৯ মি.মি; নিকলিতে ৩৮ মি.মি; কক্সবাজারে ১৪ মি.মি; তাড়াশে ৪৭ মি.মি; মংলায় ৫৮ মি.মি. বৃষ্টিপাত হয়েছে।
