ইয়াবা ব্যবসায়ীদের ছেড়ে দেওয়ায় আগৈলঝাড়ায় বিক্ষোভ

আপডেট : ০১ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৮:৪১

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ইয়াবা ডিলারসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এরপর লক্ষাধিক টাকার বিনিময়ে ডিলারসহ দুইজনকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। বাকি দুইজনের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করেছে। ডিলারসহ দুইজনকে ছেড়ে দেওয়ায় এলাকায় তোলপাড় ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে উপজেলা সদরের ফুল্লশ্রী গ্রামের মিথুন মেম্বারে বাড়ির সামনে ইয়াবা বিক্রির সময় এসআই জসিম উদ্দিন হালদার ও এসআই সুজন হালদার চার ইয়াবা ব্যবসায়ীকে ইয়াবাসহ গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। গ্রেফতারকৃতরা হলো, উপজেলা সদরের ফুল্লশ্রী গ্রামের শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে ইয়াবা ডিলার শাওন হাওলাদার (২৮), একই গ্রামের কামাল পাইকের ছেলে আলী হোসেন পাইক (৩০), রফিকুল ইসলাম পাইক (১৯) ও কোটালিপাড়া উপজেলার হরিণাহাটি গ্রামের মৃত আব্দুল আজিজ শিকদারে মেয়ে নিলা ইসলাম (৩২)। 

মহিলা মাদকব্যবসায়ী নিলা দীর্ঘদিন ধরে ফুল্লশ্রী গ্রামের আমবৌলা এলাকার মেম্বার মিথুনের মালিকানাধীন ভবনে ভাড়া বাসায় থেকে ইয়াবার ব্যবসা করে আসছিলো। প্রধান মাদক ব্যবসায়ী শাওন হাওলাদারের পিতা শাহজাহান হাওলাদার প্রভাবশালী হওয়ায় এবং ওই বাসায় পুলিশের একাধিক এসআই ভাড়া থাকায় থানা পুলিশকে ম্যানেজ করে লক্ষাধিক টাকা উৎকোচের বিনিময়ে শনিবার সকালে শাওন ও আলী হোসেন পাইককেও থানা থেকে ছেড়ে দেয়। পরে আটক নিলা ইসলাম ও রফিকুল ইসলাম পাইকের বিরুদ্ধে এসআই জসিম উদ্দিন বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা করেন। যার নং-১। শনিবার সকালে নীলা ইসলাম ও রফিকুলকে বরিশাল আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

উৎকোচের বিনিময়ে দুইজনকে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনা অস্বীকার করে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আফজাল হোসেন বলেন, শাওন হাওলাদার ও আলী হোসেন পাইককে আমরা সোর্স হিসেবে ব্যবহার করেছি। তাই তাদের দুজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি দুজনের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠিয়েছি।

ইত্তেফাক/নূহু