আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৪ (সদর-সুবর্ণচর) আসন থেকে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন চাইবেন নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহিন। তিনি সাবেক স্পিকার আবদুল মালেকের ভাতিজা ও জেলা জজ আদালতের আইনজীবী।
গতকাল শনিবার দুপুরে জেলায় কর্মরত প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি এ ঘোষণা দেন। নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদীর একটি রেস্টুরেন্টে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
তিন বারের নির্বাচিত বর্তমান এমপি একরামুল করিম চৌধুরীর প্রতি ইঙ্গিত করে মতবিনিময় সভায় অ্যাডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহিন বলেন, তৃণমূলের নেতাকর্মীদের দাবি হচ্ছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৪ আসনে দুর্নীতিগ্রস্ত, টেন্ডারবাজ, চাকরি বাণিজ্য ও অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতা বহিরাগত ব্যক্তিকে বাদ দিয়ে সদর ও সুবর্ণচরের স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্য থেকে মনোনয়ন দেওয়া হোক। তিনি বলেন, এ আসনে গত ১৪ বছর ধরে যিনি এমপি হিসেবে এলাকার প্রতিনিধিত্ব করছেন, তাকে মাত্র দুই দিন সংসদীয় এলাকা নিয়ে কথা বলতে শোনা গেছে। তা-ও সে বক্তব্যগুলো ভুল তথ্যে ভরা।
শিহাব উদ্দিন শাহিন বলেন, ‘আমি আমার মাতৃতুল্য নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং নোয়াখালীর ঠিকানা আমাদের অভিভাবক ওবায়দুল কাদেরের কাছে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীর মনোনয়ন চাইব। আমাকে যদি দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়, তাহলে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে এই আসনে বিপুল ভোটে নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত হবে। এ সময় আওয়ামী লীগের নেতাদের মধ্যে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুস জাহের, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান নাছের, সাবেক সহসভাপতি জাকিউল ইসলাম দুলাল, সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান ফরহাদ হোসেন বাহার চৌধুরী, বিনোদপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন বাবলু, কাদির হানিফ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুর রহিম চৌধুরী, অশ্বদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন বাবলু, দাদপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান শিপন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইবনে ওয়াজিদ ইমনসহ সদর ও সুবর্ণচর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিটের আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
