টুইটারে সম্প্রতি ব্লুস্কাই সোশ্যাল নিয়ে প্রচুর আলোচনা চলছে। টুইটারে ইলন মাস্ক একের পর এক পরীক্ষা চালাতে শুরু করেছে। এদিকে ব্লুস্কাই যেন বড়সড় হয়ে উঠতে শুরু করেছে। তাইতো টুইটারেই ব্লুস্কাই নিয়ে আলোচনা হচ্ছে বেশি। আলোচনা হওয়াটাই স্বাভাবিক। টুইটারেরই কো-ফাউন্ডার জ্যাক ডোরসি ব্লুস্কাই তৈরি করেছেন। তবে এই কমাস আগে থেকেই তিনি একটা ভালো দল নিয়ে এগুচ্ছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটিকে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য। এতদিন থেকেই তারা প্রচারের কাজ করছিল। কিন্তু ২৭ তারিখেই বোধহয় প্রতিষ্ঠানটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহারকারী জোগাড় করতে পেরেছে।
প্রথম দেখায় ব্লুস্কাইকে অনেকটা টুইটার বলেই মনে হবে। এখানেও আপনি ৩০০ অক্ষরের একয়ি পোস্ট লিখতে পারবেন। তবে ব্লুস্কাই এর বিল্ডিং স্ট্রাকচার আলাদা। এটি একটি ডিসেন্ট্রালাইজ নেটওয়ার্কে নির্মাণ করা হয়েছে। আপাতত ব্যবহারকারী অত বেশি না হওয়ায় একটি সার্ভারেই ব্লুস্কাই পরিচালিত হচ্ছে। অনেকে ধারণা করছেন ব্লুস্কাই শীঘ্রই টুইটারকে পেছনে ফেলে দেবে৷ আবার অনেকে মনে করছেন ব্লুস্কাই হারিয়ে যাবে শেষে।
ব্লুস্কাই আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা করে ২০২২ সালে। তবে ২০১৯ সাল থেকেই এর কাজ শুরু হয়। ডিসেন্ট্রালাইজ নেটওয়ার্কে বানানো হলেও ব্লুস্কাই ব্যবহারকারীদের সেন্ট্রালাইজ এক্সেস দিচ্ছে। এভাবে সবাই তাদের নিজস্ব অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে পারবে। আপাতত কোনো ছবি বা ভিডিও আপলোড করার সুযোগ নেই এখানে। শুধু টুইটের মতোই পোস্ট করা যাচ্ছে। টুইটারেই ব্লুস্কাই নিয়ে আলোচনা হচ্ছে বেশি। টুইটারে মাস্কের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় সম্ভবত এমনটা হচ্ছে৷ এখন দেখার বিষয় ব্লুস্কাই কি আদৌ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে নাকি আবার হারিয়ে যাবে।
