নিকলী উপজেলার হাওরের ৮৩ শতাংশ ধান কেটে ঘরে তুলেছেন কৃষক। এতে কৃষকের শঙ্কা কমেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় অন্য বছরের চেয়ে এবার ধানের ফলন ভালো হওয়ায় খুশি হাওরের কৃষকরা।
উপজেলা কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, চলতি মৌসুমে নিকলী উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের ৩৮টি হাওরে ৩৬ হাজার ৩৭৫ একর জমিতে বোরো ধানের চাষাবাদ হয়েছে। এখন পর্যন্ত কাটা হয়েছে ৩৯ হাজার ১৯১ একর জমির ধান। উপজেলার গোড়াদীঘা হাওরের কৃষক মোতালিব সর্দার বলেন, গত দুই বছরের তুলনায় এবার ফলন অনেক ভালো হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ধান কেটে দ্রুত ঘরে তুলছি।
নিকলী বড় হাওরের কৃষক সেন্টু মিয়া বলেন, ধান ঘরে তুললে মনে একটা শান্তি লাগে। শান্তিতে বছরটা কাটাতে পারব। নিকলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, হাওরের ৮৩ ভাগ ধান কাটা হয়ে গেছে। বর্তমানে বৃষ্টি আর নদীর পানি বাড়লেও কৃষকের খুব বেশি ক্ষতি হবে না। তবে শত ভাগ ধান ঘরে তুলতে আরো চার-পাঁচ দিন সময় লাগবে।
নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাকিলা পারভিন বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
