ফেডারেশন কাপ ফুটবলের প্রথম সেমিফাইনালে বসুন্ধরা কিংসকে হারিয়ে মোহামেডান ফুটবলাররা যে খুব খোশ মেজাজে রয়েছেন তা নয়। গতকাল দুপুরে ক্লাব টেন্টে গিয়ে দেখা গেল কিছু ফুটবলার বাইরে গেছেন। আর অন্যরা যে যার রুমেই আছেন।
আক্রমণভাগের জাফর ইকবাল গরমের মধ্যে উদাম গায়ে বসে ছিলেন। ঘরে এসি থাকলেও অন্য রুমে কথা বলছিলেন বান্দরবানের ছেলে জাফর ইকবাল। বসুন্ধরাকে যোগ্যতার ভিত্তিতেই হারিয়েছে মোহামেডান—বলছিলেন জাফর ইকবাল। তার আত্মবিশ্বাসটা অন্য জায়গায়।
জাফর বলছিলেন, ‘বসুন্ধরা কিংসের দেশি ফুটবলার আর আমাদের ফুটবলারদের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। আপনি ঊনিশ-বিশ বলতেও পারবেন না। বিশ এবং বিশ। কিংসের বিদেশিরা পার্থক্য করে দিচ্ছেন।’
কিংসের বিপক্ষে ফাইট হয়েছে। খুব সহজেই জয় আসেনি। কিংস এবার মৌসুমের সব ট্রফি ঘরে তুলতে চেয়েছিল। কিন্তু মোহামেডান তাদের স্বপ্ন ভেঙে দিয়েছে। ফেডারেশন কাপের ফাইনালে উঠতে দেয়নি। মোহামেডান ২-১ গোলে হারিয়েছে বসুন্ধরা কিংসকে।
১৪ বছর পর ফেডারেশন কাপের ফাইনালে উঠেছে সাদাকালো মোহামেডান। দারুণ খেলেছেন দলের নাইজেরিয়ান মিডফিল্ডার। এমানুয়েল সানডে দলে আসার পর মাঝমাঠে শক্তি বেড়ে গিয়েছে। কিংসের বিপক্ষে গোল করেছেন। স্ট্রাইকার সুলায়মান দিয়াবাতের সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়া। এটা আক্রমণে শক্তি বাড়িয়েছে।
তবে জাফর ইকবালের দুঃখটা অন্য জায়গায়। কিংসের বিশ্বনাথ ঘোষ দুই বার মারাত্মক ফাউল করেছেন। জোড়া পায়ে আঘাত করেছে জাফর ইকবালকে। রেফারি হলুদ কার্ড দেখিয়েছেন বিশ্বনাথকে। এরপর আবারও কনুই দিয়ে আঘাত করেছেন। রেফারি কিছুই বলেননি। রেফারি যদি এভাবে চোখ এড়িয়ে যান তাহলে যে কোনো সময় একজন ফুটবলার মারাত্মক আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়বেন।
