২২৫ রানের ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়েও কঠিন চাপে পড়েছে আফগানিস্তান। শুরু থেকেই দলটির নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পতন হচ্ছে। দলীয় ২০ রানে মোহাম্মদ সামির বলে হযরতুল্লাহ বোল্ড হয়ে যান। আর দলীয় ৬৪ রানে গুলবাদিন নাইবকে (২৭) ফেরান হার্দিক পান্ডে।
দলীয় ১০৬ রানে পরপর দুটি উইকেট পতন হয় আফানদের। রহমত শাহ ও হাসমতউল্লাহ শাহিদী। রহমত ৩৬ ও হাসমত ২১ রান করেন। ৩০ ওভারের খেলা শেষে তাদের সংগ্রহ চার উইকেটে ১১২ রান।
এর আগে সাউদাম্পটনে ম্যাচের শুরুতে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। পঞ্চম ওভারে এসে দলীয় ৭ রানে রোহিত শর্মা ফিরেন রানের খাতা খোলার পরই। দলীয় ৬৪ রানে এসে ভারতের দ্বিতীয় উইকেট তুলে নিলেন মোহাম্মদ নবী। কিছুটা ধীরগতিতে খেলা লুকেশ রাহুল ৫৩ বল থেকে ৩০ রান করে এ সময় আউট হন। সেই ধারাবাহিকতায় দলীয় ১২২ রানে ফিরেন বিজয় শঙ্কর। রহমত শাহের বলে এলবিডব্লিউ’র ফাঁদে পড়ে মাঠ ছাড়ার আগে তিনি ৪১ বল থেকে ২৯ রান করেন।
অন্য ব্যাটসম্যানদের ধীরগিতর ব্যাটিংয়ের মধ্যেও ব্যতিক্রম ছিলেন বিরাট কোহলি। রানের চাকা ঘুরানোর চেষ্টা করেছেন। তবে মোহাম্মদ নবীর বলে রহমত শাহ’র হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরলে থামে কোহলির সেই প্রচেষ্টা। আউট হওয়ার আগে ৬৩ বল থেকে সাতটি চারের মারে ৬৭ রান করেন তিনি।
তখনও ভারতের ভরসা হিসেবে ছিলেন এমএস ধোনি। দলীয় ১৯২ রানে পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হয়ে যান তিনি। আউট হওয়ার আগে ৫২ বল থেকে ২৮ রান সংগ্রহ করেন তিনি। এরপর কেদার যাদব চেষ্টা করেছেন। তবে বড় কোনো স্কোর গড়তে পারেননি। সঙ্গী হার্দিক পান্ডেও ব্যাটে ঝড় তুলতে পারেননি। আউট হয়ে যান দুই অঙ্ক ছোঁয়ার আগেই। পরবর্তীতে শুধু কেদার যাদব ৬৮ বল থেকে ৫২ রান করেন।
নির্ধারিত ওভার শেষে ভারত ৮ উইকেটে ২২৪ রান করতে সক্ষম হয়। মোহাম্মদ নবী ও গুলবাদিন নায়েব দুটি করে উইকেট নেন।
ইত্তেফাক/কেআই
