ট্রেনের টিকিট অনলাইনে বিক্রিতে অনিয়ম

আপডেট : ২২ জুন ২০১৯, ২১:৫৮

গেল রমজানের ঈদে রেলের টিকিট শতকরা ৫০% অনলাইনে বিক্রির ব্যবস্থা হয়েছিল। রেলের দুর্নীতিবাজ কর্মচারী ও কালোবাজারিরা মিলে সরকারের সে প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছিল। রেলমন্ত্রী কমলাপুর রেল স্টেশনে উপস্থিত হয়ে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হওয়ার পর দুদক অভিযান চালায়। যা হোক, এ সমস্যা সমাধানে বেসরকারি কোনো আইটি ফার্মের সঙ্গে চুক্তি করে ঈদের সময় অনলাইনের মাধ্যমে টিকিটের শতকরা ৬০% বিক্রি করা যায় কি না সে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিবেচনায় নিতে হবে। টিকিটপ্রতি সুলভ, শোভন, চেয়ার পাঁচ টাকা, প্রথম শ্রেণি ১০ টাকা, এসি ২০ টাকা অনলাইন সার্ভিস চার্জ নির্ধারণ করে দিলে বেসরকারি ফার্মের অতিরিক্ত খরচ মেটানো সম্ভব হবে। এভাবে পর্যায়ক্রমে শতভাগ রেলের টিকিট বেসরকারি খাতে বিক্রির ব্যবস্থা করা যেতে পারে বাস্তবতা বিবেচনা করে। এটা বাস্তবায়নে কোনো অসুবিধা হওয়ার কথা না। কারণ গ্রামগঞ্জের হাটবাজারে তখন মোবাইল রিচার্জের দোকানে ট্রেনের টিকিট পাওয়া যাবে। ঈদের সময় রেলের টিকিট কাউন্টার থেকে কিনতে গেলে আগের দিন রাত থেকে টিকিট সংগ্রহকারীরা লাইন ধরে নির্ঘুম রাত কাটায়। এছাড়া সারা বছর কাউন্টার থেকে টিকিট কিনতে গেলে যদি টিকিটের দাম ৩২০ টাকা হয়, তবে যাত্রী যদি ৫০০ টাকার নোট দেন তাহলে তাঁকে ৪০০ টাকা রেখে ১০০ টাকা ফেরত দেওয়া হয়। লম্বা লাইন কাউন্টার ম্যানেজার দেখে ফেললে বলেন টিকিট শেষ হয়ে গেছে, বাইরে তার দালাল লাইনের যাত্রীদের প্রস্তাব দিয়ে থাকে তার কাছ থেকে টিকিট বেশি দামে কেনার জন্য। সরকারি কর্মজীবীদের বেতন ১২৩ ভাগ বৃদ্ধির পরও রেলের একশ্রেণির দুর্নীতিবাজের কারণে ঈদের সময় মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এর অবসান হওয়া জরুরি।

আব্বাস উদ্দিন আহমদ

ধোপাদিঘির দক্ষিণ পাড়, সিলেট ৩১০০