বান্ধবীর সঙ্গে বাকবিতন্ডা জনসনের বাড়িতে পুলিশ

আপডেট : ২৩ জুন ২০১৯, ০০:৩০

ব্রিটেনে বান্ধবী ক্যারি সিমন্ডসের সঙ্গে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী পদে এগিয়ে থাকা কনজারভেটিভ পার্টির নেতা বরিস জনসন। এক প্রতিবেশী ওই নারীর চিত্কার শুনে খবর দেন পুলিশে। খবর পেয়ে ব্রিটেনের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীর বাসায় হাজির হয় পুলিশ। শুক্রবার মধ্যরাতে দক্ষিণ লন্ডনের ক্যাম্বারওয়েল এলাকায় জনসনের বাসায় এই ঘটনা ঘটে। এখানেই বান্ধবী সিমন্ডসের সঙ্গে বসবাস করেন বরিস। খবর দ্য গার্ডিয়ান ও বিবিসির।

পুলিশকে খবর দেওয়া বরিস জনসনের এক প্রতিবেশী জানান, তারা বাসা থেকে ওই নারীর চিত্কার শুনতে পেয়েছিলেন। তার ধারণা সম্ভবত তাকে (সিমেন্ডস) প্রহার করা হয়েছে। এক পর্যায়ে বান্ধবী সিমন্ডস বরিসকে বলেন, আমাকে যেতে দাও, না হয় হয় আমার বাসা থেকে বের হয়ে যাও। ওই প্রতিবেশী আরও জানান, সিমন্ডসের কোনো ক্ষতি হতে পারে এমন আশঙ্কায় তিনি বরিস জনসনের বাসার দরজার কড়া নেড়েছিলেন। কিন্তু কেউ সাড়া দেননি। এরপরই ওই প্রতিবেশী জরুরি সেবার ৯৯৯ নম্বরে কল দেন। সঙ্গে সঙ্গে দুইজন পুলিশ গাড়িসহ চলে আসেন জনসনের বাসায়। তারা ওই বাসায় প্রবেশ করেন এবং কিছুক্ষণ পর বের হয়ে বরিস এবং তার বান্ধবী ঠিক আছেন বলে জানান।

এ বিষয়ে জানতে লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে মিডিয়া। কিন্তু শুরুতে এমন ঘটনা ঘটেনি বলে জানায় পুলিশ। পরে গার্ডিয়ান ওই ঘটনার রেফারেন্স নম্বর ও পুলিশ যে গাড়ি নিয়ে গিয়েছিলেন সেটির নম্বর দিলে একটি বিবৃতি দেয় মেট্রোপলিটন পুলিশ। পুলিশের ওই বিবৃতিতে বলা হয়, এদিন রাত ১২টার ২৪ মিনিটে পুলিশ দক্ষিণ লন্ডনের একজন বাসিন্দার একটি ফোন কল পান। ওই ব্যক্তি তার নারী প্রতিবেশীর অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের সঙ্গে বলেন। কথা বলে পুলিশের মনে হয়েছে, সেখানে উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো কিছুই হয়নি। তারা সবাই নিরাপদ আছেন এবং পুলিশি ব্যবস্থা নেয়ার মতো ঘটনা ঘটেনি।

গত বছর বরিস জনসন তার স্ত্রী মারিনা হুইলারের সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটান এবং সিমন্ডসের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। কিছুদিন আগেই বরিস জনসন এবং সিমন্ডসকে একসঙ্গে লন্ডনে দেখা গেছে। সমপ্রতি তারা একসঙ্গে বসবাস শুরু করেছেন। লন্ডনের সাবেক মেয়র বরিস ব্রিটেনের সদ্য বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী থেরেসার উত্তরসূরী হওয়ার দৌঁড়ে এখন পর্যন্ত এগিয়ে। কনজারভেটিভ দলের নেতা হতে এখন তাকে কেবল জেরেমি হান্টের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হবে। নিয়ম অনুযায়ী, ক্ষমতাসীন টোরি দলের প্রধান হবেন ব্রিটেনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী।