লক্ষ্মীপুরে নোমান-রাকিব হত্যা মামলার প্রধান আসামি আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কাশেম জিহাদীকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তাকে স্থায়ী বহিষ্কারের জন্য দলীয় সভানেত্রীর বরাবর সুপারিশ করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৮ মে) সকালে চন্দ্রগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কাশেম চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অভিযুক্ত আবুল কাশেম জিহাদী লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি।
অব্যাহতিপত্রে বলা হয়- জোড়া খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হওয়ায় আবুল কাশেম জিহাদীকে চন্দ্রগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তাকে স্থায়ী বহিষ্কারের জন্য দলীয় সভানেত্রীর বরাবর সুপারিশ করা হলো।
জানা যায়, তার বিরুদ্ধে দুই যুগ ধরে হত্যা, চাঁদাবাজি, অপহরণসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ছিল। এছাড়া তিনি গত ২৫ এপ্রিল রাতে নোমান-রাকিব হত্যা মামলার প্রধান আসামি।
সভাপতি আবুল কাশেম চৌধুরী বলেন, দলে কোনো অপরাধীর স্থান নেই। আগেই কাশেম জিহাদীকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে জেলা কমিটির অনুমতি পেয়ে অব্যাহতিপত্র ১৭ মে প্রকাশ করি। কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের মাধ্যমে দলের সভানেত্রী বরাবর সুপারিশ পাঠানো হয়েছে।
গত ২৫ এপ্রিল রাত সাড়ে ৯টার দিকে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার বশিকপুরের পোদ্দার বাজারে জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিব ইমামকে দুর্বৃত্তরা গুলি করে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহত নোমানের ভাই মাহফুজুর রহমান বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। এতে আওয়ামী লীগ নেতা ও বশিকপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেম জিহাদীকে প্রধান আসামি করে ১৮ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ১৫ জনকে আসামি করা হয়।
