বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

গাজীপুর সিটি নির্বাচনে জামানত হারিয়েছেন ৬ মেয়রপ্রার্থী

আপডেট : ৩০ মে ২০২৩, ১১:২৪

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট গ্রহণ গত ২৫ মে শেষ হয়েছে। এ নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ৮জন প্রার্থী। এদের মধ্যে ৬ জন প্রার্থীই জামানত হারিয়েছেন। সিটি নির্বাচনের বিধি অনুযায়ী ভোট কম পাওয়ায় জামানত বাজেয়াপ্ত হতে যাচ্ছে। মোট প্রদত্ত ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশের কম ভোট পাওয়ায় এ ৬ মেয়রপ্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।

নির্বাচনে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী জায়েদা খাতুন (টেবিলঘড়ি) মার্কায় ১৬ হাজার ১৯৭ ভোটের ব্যবধানে (নৌকা) মার্কার প্রার্থী আজমত উল্লা খানকে পরাজিত করে মেয়র হন। জায়েদা খাতুন পান ২ লাখ ৩৮ হাজার ৯৩৪ ভোট। নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আজমত উল্লা খান পান ২ লাখ ২২ হাজার ৭৩৭ ভোট।

জামানত হারানো ৬ মেয়রপ্রার্থীরা হলেন- জাতীয় পার্টির এমএম নিয়াজ উদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের গাজী আতাউর রহমান, গণফ্রন্টের আতিকুল ইসলাম, জাকের পার্টির রাজু আহমেদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী সরকার শাহনুর ইসলাম রনি ও হারুন অর রশিদ।

গাজীপুর সিটি নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ১১ লাখ ৭৯ হাজার ৫৭৬ জন। সিটির ৫৭টি ওয়ার্ডে ৪৮০টি ভোটকেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৫ লাখ ৭৫ হাজার ৫০টি। এর মধ্যে ভোট বাতিল হয়েছে ১ হাজার ৭৯৪টি। বৈধ ভোট ৫ লাখ ৭৩ হাজার ২৫৬। শতকরা হিসাবে ভোট পড়েছে ৪৮ দশমিক ৭৬।

জানা যায়, জামানত হারানো ৬ মেয়র প্রার্থীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন হাতপাখা প্রতীকের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের গাজী আতাউর রহমান। তার প্রাপ্ত ভোট হচ্ছে ৪৫ হাজার ৩৫২টি। তার পরের অবস্থানে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সরকার শাহনুর ইসলাম রনি। তিনি পেয়েছেন ২৩ হাজার ২৬৫ ভোট।

এছাড়া গণফ্রন্টের আতিকুল ইসলাম পেয়েছেন ১৬ হাজার ৯৭৬ ভোট। জাতীয় পার্টির প্রার্থী এমএম নিয়াজ উদ্দিন পেয়েছেন ১৬ হাজার ৩৬২ ভোট। গোলাপ ফুল প্রতীকের জাকের পার্টির প্রার্থী রাজু আহমেদ পেয়েছেন ৭ হাজার ২০৬ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী হারুন অর রশিদ ভোট পেয়েছেন ২ হাজার ৪২৬।
গাজীপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচএন কামরুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনে জামানত ফেরত পেতে হলে প্রার্থীকে মোট প্রদত্ত ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশ পেতে হয়। ৬ মেয়রপ্রার্থী প্রদত্ত ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশের কম ভোট পেয়েছেন। যে ভোট কাস্টিং হয়েছে তাতে ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ ভোট অন্তত একজন প্রার্থীর পেতে হবে। তা না হলে ওই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।

ইত্তেফাক/কেকে