ইত্তেফাক রিপোর্ট
তরুণ সাংবাদিক ইহসান ইবনে রেজা ফাগুন হত্যাকাণ্ডের এক মাসেও কোনো কুলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। গত ২১ মে ফাগুনকে হত্যা করে জামালপুর ও নান্দিনার মাঝামাঝি রানাগাছা এলাকায় রেললাইনের পাশে ফেলে রাখা হয়। সেদিন মধ্যরাতে ফাগুনের মৃতদেহ উদ্ধার করে জামালপুর রেলওয়ে পুলিশ। এরপর ফাগুনের বাবা সাংবাদিক কাকন রেজা বাদী হয়ে জামালপুর রেলওয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার পর রেলওয়ের সন্দেহভাজন দুজনকে গ্রেফতার করলেও প্রথম দফা রিমান্ডে তাদের কাছ থেকে কিছু জানতে পারেনি পুলিশ।
ইহসান রেজা ফাগুন ঢাকার নিউজ পোর্টাল প্রিয় ডটকমের ইংরেজি বিভাগের সহ-সম্পাদক হিসেবে কাজ করতেন। কিছুদিনের মধ্যে আরেকটি নিউজ পোর্টাল জাগো নিউজের ইংরেজি বিভাগের সহ-সম্পাদক হিসেবে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। জাগো নিউজের অফিসে যোগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করে ২১ মে ঢাকা থেকে বাড়ি ফিরছিলেন ফাগুন। পরে রাতে তার মৃতদেহ পাওয়া যায় জামালপুর ঢাকা রেললাইনের রানাগাছা নামক স্থানে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জামালপুর রেলওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাকিব জানান, জামালপুরের ইসলামপুর এলাকা থেকে পাংখা নামে এবং ঢাকার বিমানবন্দর এলাকা থেকে তানজিল নামে মোট দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরা মূলত রেলের অজ্ঞান পার্টির সদস্য। তবে তানজিলকে আবার ১০ দিনের জন্য রিমান্ডে চাওয়া হয়েছে বলে জানান রাকিব।
তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, মূলত আমরা ছিনতাইয়ের বিষয়টি মাথায় রেখেই এগুচ্ছি। যেহেতু ফাগুনের কাছে ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন ছিল এরজন্যও অজ্ঞান পার্টির লোকজন তাকে টার্গেট করতে পারে। তবে যে এলাকায় ফাগুনের মৃতদেহ পাওয়া গেছে সেখানের লোকজনও ঘটনাটিকে সাধারণ ছিনতাই বলতে নারাজ।
