ইরানের ক্ষেপনাস্ত্র ব্যবস্থায় সাইবার হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওমান উপসাগরে একটি মার্কিন সামরিক ড্রোন বিধ্বস্ত করার বদলা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি সামরিক পথে না গেলেও ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সাইবার হামলা শুরু করে। এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দেশটির বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞার কথা জানিয়েছেন। তবে তেহরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যুদ্ধ বাধলে তা উপসাগরীয় অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়তে পারে। খবর বিবিসি ও রয়টার্সের
যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক নির্ভরযোগ্য মিডিয়া জানিয়েছে, যেসব কম্পিউটার ব্যবহার করে ইরানের রকেট এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রক্ষেপণ ব্যবস্থা পরিচালিত হয় সাইবার হামলা চালিয়ে সেগুলো অকেজো করে দেওয়া হয়েছে। তবে ঐ হামলায় ইরানের অস্ত্র ব্যবস্থায় কতটা ক্ষতি হয়েছে, তা নিয়ে নিরপেক্ষ সূত্র থেকে নিশ্চিতভাবে কিছু জানা যায়নি। ওয়াশিংটন পোস্ট এবং মার্কিন বার্তা সংস্থা এপি জানায়, মার্কিন সাইবার হামলায় আইআরজিসির’র অস্ত্র ব্যবস্থা বিকল হয়ে পড়েছে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের তথ্যমতে, অন্তত কিছু সময়ের জন্য ইরানের অস্ত্র ব্যবস্থাকে বিকল করে দেওয়ার টার্গেট করা হয়।
ইরানের পাল্টা সাইবার হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার নিরাপত্তা এবং অবকাঠামো সংস্থার পরিচালক ক্রিস্টোফার ক্রেবস বলেছেন, ইরানের সরকার এবং তাদের সহযোগীরা যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সরকারি সংস্থা এবং শি্ল্প প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সাইবার হামলা চালাচ্ছে। ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ব্যবস্থা হ্যাকিংয়ের চেষ্টা করছে ইরান।
তেহরানের ওপর আরো নিষেধাজ্ঞা
পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচিতে বাধা দিতে ইরানের ওপর আরো গুরুতর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তেহরান তাদের অবস্থান থেকে সরে না আসা পর্যন্ত অর্থনৈতিক চাপ বজায় রাখা হবে বলে তিনি জানান। জানা গেছে, আজ সোমবার থেকেই কার্যকর হবে এই নিষেধাজ্ঞা।
হুুঁশিয়ারি তেহরানের
ইরানের সামরিক বাহিনীর মেজর জেনারেল ঘোলামালি রশিদ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এই অঞ্চলে সংঘাত শুরু হলে কোনো দেশই রক্ষা পাবে না। আর মার্কিন সৈন্যদেরও জীবন হুমকির মধ্যে পড়বে। এজন্য মার্কিন সরকারকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে বলে উল্লেখ করেন সিনিয়র সেনা কর্মকর্তা।
