বুধবার, ২৬ জুন ২০২৪, ১১ আষাঢ় ১৪৩১
The Daily Ittefaq

‘অচিরেই দেশের মানুষ ওষুধ গ্রহণের ক্ষমতা হারাবে’

আপডেট : ০৭ জুন ২০২৩, ১৯:০২

বাংলাদেশে যে পরিমাণ এন্টিবায়োটিক দেওয়া হয়, অচিরেই এ দেশের মানুষ ওষুধ গ্রহণের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলবেন বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট। 

বুধবার (৭ জুন) ভুয়া ডাক্তারের সাজা বৃদ্ধির নির্দেশনা চেয়ে জনস্বার্থে আনা রিট পিটিশনের সময় এ মন্তব্য করেন হাইকোর্ট। ভুয়া ডাক্তারে সাজা বৃদ্ধির নির্দেশনা চেয়ে জনস্বার্থে আনা রিট পিটিশন চূড়ান্ত শুনানির জন্য প্রস্তুত করতেও বলেছেন হাইকোর্ট। 

বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মোহাম্মদ শওকত আলী চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চে বিষয়টি উত্থাপিত হয়।

ডাক্তার সহকারীগণ তাদের ব্যবস্থাপত্রে এন্টিবায়োটিক লিখতে পারবেন কিনা- তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন আদালত। রিটটি চূড়ান্ত শুনানির জন্য রুল প্রস্তুত করার নির্দেশ দেন আদালত।

রিটের পক্ষে আইনজীবী মো. জে. আর. খান রবিন বলেন, ‘ভুয়া ডাক্তারে সাজা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জনস্বার্থে রিট পিটিশন দায়েরের পরিপ্রেক্ষিতে রুল জারি করেছেন আদালত। মেডিকেল সহকারীরা তাদের ব্যবস্থাপত্রে এন্টিবায়োটিক ওষুধ লেখার লক্ষ্যে  জারি করা রুল মডিফিকেশান চেয়ে আবেদন করলে আদালত তা না শুনে নথিতে রক্ষিত রাখেন এবং রুল শুনানির সময় আবেদন বিষয়ে শুনবেন বলে জানান।’ 

সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী মো. জে. আর. খান রবিন গত বছরের ২৯ নভেম্বর ভুয়া ডাক্তারের সাজা বৃদ্ধি চেয়ে হাইকোর্টে জনস্বার্থে রিটটি করেন।

প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত বছরের ৬ ডিসেম্বর বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও মোহাম্মদ আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল জারি করে আদেশ দেয়। ভুয়া ডাক্তারের সাজা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পদক্ষেপ গ্রহণে সংশ্লিষ্টদের ব্যর্থতাকে কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না এবং কেন ভুয়া ডাক্তারের সাজা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নির্দেশ প্রদান করা হবে না-মর্মে কারণ দর্শাতে রুল জারি করেন আদালত। 

পাশাপাশি দেশে বিরাজমান ভুয়া ডাক্তারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতকে তিন মাসের মধ্যে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের সভাপতি ও পুলিশ মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) নির্দেশ প্রদান করা হয়। 

রুল জারি হওয়ার পর ১৬ জন মেডিকেল সহকারী উক্ত রিটে পক্ষ হয়ে জারি করা রুল মডিফিকেশানের জন্য আবেদন করেন।

ইত্তেফাক/এসজেড