শেরপুর-৩ আসনে চাচা-ভাতিজার নির্বাচনী লড়াই

আপডেট : ০১ ডিসেম্বর ২০১৮, ২১:৪৬

ঝিনাইগাতী (শেরপুর) সংবাদদাতা

শেরপুর-৩ (ঝিনাইগাতী-শ্রীবরদী) আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শুরু হয়েছে চাচা-ভাতিজার নির্বাচনী লড়াই। চাচা ইঞ্জিনিয়ার একেএম ফজলুল হক আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে ৩য় বারের মতো নির্বাচনে মাঠে নেমেছেন। অন্যদিকে এ আসনে থেকে তার আপন ভাতিজা ঐক্যফ্রন্ট তথা বিএনপি থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ৪র্থ বারের মতো নির্বাচনে মাঠে নেমেছেন। শেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদুল হক রুবেল তারা উভয়েই দলীয় মনোনয়ন পেয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। মনোনয়নপত্র দাখিলের পর থেকেই নির্বাচনী মাঠে ফিরে এসেছে উত্সবের আমেজ। তবে এ নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের তুলনায় বিএনপির নেতাকর্মীদের মাঝে উত্সাহ উদ্দীপনা বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার একেএম ফজলুল হক ২০০৮ ও ২০১৪ সালে নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই টানা ১০ বছর ক্ষমতায় থাকাকালীন অবস্থায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পাশ কাটিয়ে কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন। ফলে দ্বিধা-বিভক্ত হয়ে পড়ে দুই উপজেলার আওয়ামী লীগ। এবারও দল তাকে মনোনয়ন দেওয়ায় এ আসনের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দ্বিধা-বিভক্ত। উত্সাহের আমেজও তেমন একটা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। তবে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব কেটে নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করতে চলছে নানা পরিকল্পনা। দলের বিভক্তি কাটিয়ে উঠতে পারলে চাচা-ভাতিজার মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলে আশাবাদী দলের নেতাকর্মীদের। এক পরিবার থেকেই বড় দুই দলের প্রার্থী হওয়ায় সাধারণ ভোটারদের মূল্যায়ন অনেকাংশেই হ্রাস পেয়েছে। কারণ ভোট চাচা না হয় ভাতিজাকে দিবেনই তারা। এর বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই ভোটারদের।