মধুকুপি নদীর ভরাট করে বাঁধ, নৌ চলাচল ব্যাহত

আপডেট : ১৫ জুন ২০২৩, ১৩:৪৮

কুমিল্লা হোমনায় মধুকুপি নদীর ভরাটের জন্য এক প্রভাবশালী গজারি গাছ ও বাঁশ দিয়ে বাঁধ দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কবে স্থানীয়দের অভিযোগ বাঁধ দেওয়ার ফলে নদীতে নৌ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হলেও বাঁধ অপসারণের কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

অভিযুক্ত মো. হাবিবুর রহমান উপজেলার বিজয় নগর গ্রামের বাসিন্দা।  

সরজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার কাঠালিয়া নদী থেকে উৎপন্ন হয়ে ঘাড়মোড়া এলাকায় গিয়ে তিতাস নদীতে মিলিত হওয়া ১২ কিলোমিটারের এ মধুকুপি নদীর হোমনা ও গৌরিপুর সড়কের হরিপুর ব্রিজের পাশে অংশ দখল করে প্রায় ৪০ শতাংশ জায়গার মধ্যে মার্কেট নির্মাণের জন্য এ বাঁধ দেওয়া হয়। এ বাঁধের কারণে নদীর প্রায় অর্ধেক অংশ চলে গেছে। যার ফলে নদীতে দুটি নৌকা পাশাপাশি চলাচল করতে পারছে না।

হরিপুর গ্রামের স্থানীয় মো. শামসুল হক বলেন, নদীর যতটুকু বাঁধ দেওয়া হয়েছে, তা যদি ভরাট করা হয় তাহলে নদীই থাকবে না।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মো. হাবিবুর রহমান বলেন, যে জায়গায় বাঁধ দেওয়া হয়েছে সেটি আমার নিজস্ব জায়গা, বাঁধ যদি নদীর জায়গায় চলে যায় সেটা অবশ্যই অপসারণ করা হবে।

মাথাভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা জানান, নদীতে বাঁধ দেওয়ার খবর পেয়ে এসিল্যান্ড স্যারকে নিয়ে সেখানে গিয়েছিলাম, বাঁধ অপসারণ করতে এসিল্যান্ডকে অনুরোধ করেছি।

উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি ইউছুফ হাসান বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে বাঁধ অপসারণের জন্য বলে এসেছি। বাঁধ অপসারণ না করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইত্তেফাক/আরএজে