বাংলা
শিক্ষার্থী বন্ধুরা, শুভেচ্ছা রইল। আজ তোমাদের জন্য একটি সারাংশ ও একটি সারমর্ম সমাধানসহ তুলে ধরা হলো। আশা করি, তোমাদের কাজে লাগবে।
ক) সারাংশ লেখ:
অতীতকে ভুলে যাও। অতীতের দুশ্চিন্তার ভার অতীতকেই নিতে হবে। অতীতের কথা ভেবে ভেবে অনেক বোকাই মরেছে। আগামীকালের বোঝা অতীতের বোঝার সঙ্গে মিলে আজকের বোঝা সবচেয়ে বড় হয়ে দাঁড়ায়। ভবিষ্যেকও অতীতের মতো দৃঢ়ভাবে দূরে সরিয়ে দাও। আজই তো ভবিষ্যত্। ভবিষ্যত্কাল বলে কিছু নেই। মানুষের মুক্তির দিন তো আজই। আজই ভবিষ্যতের কথা যে ভাবতে বসে সে ভোগে শক্তিহীনতায়, মানসিক দুশ্চিন্তায় ও স্নায়ুবিক দুর্বলতায়। অতএব, অতীতের এবং ভবিষ্যতের দরজায় আগল লাগাও আর শুরু করো দৈনিক জীবন নিয়ে বাঁচতে।
সারাাংশ: অতীত ও ভবিষ্যতের কথা ভেবে যারা জীবন অতিবাহিত করে, তারা নির্বোধ ও আহাম্মক। তাই বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিতে হলে আমাদের বর্তমানকেই কাজে লাগাতে হবে। কেননা, বর্তমানের মধ্যেই লুকিয়ে আছে মানব মুক্তি। তাই অতীত ও ভবিষ্যতের কথা না ভেবে আমাদের বর্তমানকেই অধিক গুরুত্ব দিতে হবে।
খ) সারমর্ম লেখ:
“বসুমতি, কেন তুমি এতই কৃপণা?
কত খোঁড়াখুঁড়ি করি পাই শস্যকণা।
দিতে যদি হয় দে মা প্রসন্ন সহাস,
কেন এ মাথার ঘাম পায়েতে বহাস?
বিনা চাষে শস্য দিলে কি তাহাতে ক্ষতি?”
শুনিয়া ঈষত্ হাসি কহে বসুমতি;
“আমার গৌরব তাতে সামান্যই বাড়ে,
তোমার গৌরব তাতে একেবারে ছাড়ে।”
সারমর্ম: ক্ষমতা ও সামর্থ্যকে কাজে লাগানোর মধ্যেই মানবজীবনের সার্থকতা। অপরের করুণার প্রত্যাশী হওয়া কাপুরুষতা ও দুর্বলচিত্তের পরিচায়ক। মানবজীবনে শ্রমের মূল্য অপরিসীম। তাই শ্রমের মধ্যেই জীবনের সাফল্য ও গৌরব নিহিত।
