শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনে অভিযোগে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) দুই শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার ও আট শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
সোমবার (১৯ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারনী বৈঠক সিন্ডিকেটের ২২৮তম সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানান রেজিস্টার ফজলুর রহমান।
বহিষ্কৃতরা হলেন বাংলা বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী গুলশান আহমেদ ও একই বিভাগের একই বর্ষের সালমা আক্তার বীথি।
শাস্তিপ্রাপ্তরা হলেন অর্থনীতি বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের (স্নাতকোত্তর) রোমিও নিকোলাস রোজাভিউ, ইফতেখার আহমেদ, ময়ুখ দাশ, মাহবুর হাসান, মুন্সী মহাম্মদ শরীফ আহমেদ ও শফিউল আলমক। জেনেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি (জিইবি) বিভাগের জেড এম তৌহিদুল ইসলাম সিজান এবং রসায়ন বিভাগের বিজন কুমার দাস।
রেজিস্টার ফজলুর রহমান জানান, ক্লাসে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে (সহপাঠীকে মারধর) বাংলা বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী গুলশান আহমেদকে দুই বছরের (চার সেমিস্টার) জন্য বহিষ্কার করা হয়। বহিষ্কার আদেশ বহাল থাকা অবস্থায় হলে ও ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারবেন না তিনি। পাশাপাশি একই বিভাগের একই বর্ষের সালমা আক্তার বীথি নামের আরেক শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অসদুপায় (লুজ পেপারে আগে লিখে নিয়ে এসে পরীক্ষায় জমা দেওয়া) অবলম্বনের জন্য দুই বছরের (চার সেমিস্টার) জন্য স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়।
তিনি জানান, অর্থনীতি বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের (স্নাতকোত্তর) পাঁচ জন রোমিও নিকোলাস রোজাভিউ, ইফতেখার আহমেদ, ময়ুখ দাশ, মাহবুর হাসান, মুন্সী মহাম্মদ শরীফ আহমেদ। এছাড়া একই বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের (স্নানাতক প্রথম বর্ষ) শফিউল আলমকে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কোর্সের পরীক্ষা বাতিল করা হয়। বাকি দুজনের মধ্যে জেনেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি (জিইবি) বিভাগের জেড এম তৌহিদুল ইসলাম সিজানকে রেজিস্ট্রেশনকৃত ১২টি কোর্সের পরীক্ষা ও রসায়ন বিভাগের বিজন কুমার দাসের রেজিস্ট্রেশনকৃত ৯ কোর্সের পরীক্ষা একই কারণে বাতিল করা হয়। পরবর্তী সেমিস্টারে তারা এ কোর্স রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন।
