উদ্বোধন হলো টেক্সটাইল সোর্সিং প্রদর্শনী 'ইনটেক্স বাংলাদেশ’

আপডেট : ২২ জুন ২০২৩, ১৬:১৩

 

শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক টেক্সটাইল খাতের আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ‘ইনটেক্স সাউথ এশিয়া ২০২৩। বৃহস্পতিবার (২২ জুন) রাজধানীর বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী জনাব গোলাম দস্তগীর গাজী, এমপি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ-এর সভাপতি ফারুক হাসান, বিকেএমইএ -এর নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বিজিবিএ -এর সভাপতি কে.আই. হোসেন, PDEXCIL-এর চেয়ারম্যান শ্রী বিশ্বনাথ আগরওয়াল এবং কটন টেক্সটাইল এক্সপোর্ট প্রমোশন কাউন্সিল -এর যুগ্ম পরিচালক মুরলী বালকৃষ্ণ।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক কার্যক্রমকে আরো সহজ করতেই এই বৃহৎ আয়োজন। এই আয়োজন ২২ জুন থেকে চলবে ২৪ জুন পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। এই ইনটেক্সের আয়োজক ওয়ার্লডেক্স ইন্ডিয়া। প্রদর্শনীটির মাধ্যমে বাংলাদেশ, দক্ষিণ এশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের বিক্রেতা ও ক্রেতাদের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপিত হবে এবং সারা বিশ্ব থেকে সেরা সরবরাহকারীরা তাদের পণ্য প্রদর্শন করার সুযোগ পাবে।

ইনটেক্স বাংলাদেশ ২০২৩ উদ্বোধনের সময় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বলেন, এই ধরনের মেলা আমাদের জন্য অবশ্যই ভ্যালু এক্সচেঞ্জ করবে এবং নেটওয়ার্ক অপরচুনিটি তৈরি করবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক্সপোর্ট সেক্টরকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন কারণ আমাদের অর্থনৈতিক ডেভেলপমেন্টের জন্য এক্সপোর্ট এর সাকসেস খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাই সরকার বিগত দিনের মতো সব ধরনের সাহায্য সহযোগিতা করবে।

অনুষ্ঠানে বিজিএমইএ এর সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, আরএমজি সেক্টরে টেকসই উন্নয়নের জন্য বর্তমান সময়ে আমাদের টেকনোলজির দিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। বর্তমান সরকার এই খাতের রপ্তানি বাড়ানোর জন্য অনেক সুযোগ সুবিধা দিচ্ছে।

তিনি বলেন, রপ্তানি বাড়ানোর ক্ষেত্রে উন্নত টেকনোলজির ব্যবহার এবং গ্রীন ফ্যাক্টরি আমাদের ইন্ডাস্ট্রিয়াল ভ্যালু বাড়িয়ে তুলবে বহুগুণে।

ইন্টেক্স বাংলাদেশের আয়োজক ওয়ার্ল্ডেক্স ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর রাজেশ ভগত বৈশ্বিক পোশাক বাজারে বাংলাদেশের বিশিষ্ট ভূমিকা নিয়ে প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, যে সব আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের কাছে বাংলাদেশ তাদের পণ্য পৌঁছে দিচ্ছে ইন্টেক্স বাংলাদেশ সেক্ষেত্রে আরো উন্নতি এবং মূল্য যোগ করবে। মূল লক্ষ্য হলো, আন্তর্জাতিক বাজারে এদেশের সমৃদ্ধ পোশাক শিল্পকে উন্নীত করে, বাংলাদেশী ও আন্তর্জাতিক বাজারের মধ্যে একটি শক্তিশালী ব্যবসায়িক সেতুবন্ধন তৈরি করা।

২ এবং ৪ নম্বর স্প্যানিং হলে ইনটেক্স বাংলাদেশ ২০২৩ প্রদর্শনিটি বেশ কয়েক ধরনের ব্যবসায়িক সম্ভাবনাময় অফার নিয়ে আসছে। এর মাধ্যমে ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, রাশিয়া, বেলারুশ, চীন, হংকং, তাইওয়ান, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, অস্ট্রিয়া এবং যুক্তরাজ্যের প্রদর্শকরা সরাসরি বাংলাদেশ, ইউরোপ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য, আসিয়ানের এবং দক্ষিণ এশিয়ার ক্রেতাদের সাথে যুক্ত হবে।

প্রদর্শনীতে কৌশলগত অংশীদার বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ), বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ) এবং বাংলাদেশ গার্মেন্ট বায়িং হাউস অ্যাসোসিয়েশন (বিজিবিএ) অংশগ্রহণ করবে। এছাড়াও ইনটেক্স বাংলাদেশের ইন্ডিয়া প্যাভিলিয়ন সংগঠক হিসেবে কটন টেক্সটাইল এক্সপোর্ট প্রমোশন কাউন্সিল (টেক্সপ্রোসিল) এবং পাওয়ারলুম ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট প্রমোশন কাউন্সিল (পিডিএক্সসিল) অংশগ্রহণ করবে। মোট ১২টি দেশের ১৫০টি কোম্পানি এতে অংশ নেবে।

ইন্টেক্স বাংলাদেশের ইন্টারঅ্যাকটিভ ৪টি সেমিনার ও প্যানেল ডিসকাশন অনুষ্ঠিাত হবে। প্যানেল ডিসকাশন আলোচনার বিষয়, সাসটেনেবিলিটি টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি- ‘বাস্তবতা এবং চ্যালেঞ্জ'। ডিজিটাল ফিনান্স নিয়ে সেশন ‘এক্সেস টু বেস্ট ট্রেড ফিন্যান্সিং ফ্যাসিলিটি থট ডিজিটাল প্লাটফর্ম -৩৬০টিএফ। পরবর্তী প্যানেল ডিসকাশন ‘ইনোভেশন এন্ড প্রডাক্ট ডাইভারসেশন - ওয়ে টু মুভ ফরোয়ার্ড ফর বাংলাদেশ আরএমজি সেক্টর এবং শেষ সেশন ‘ফিউচার অফ সাসটেনেবল ফ্যাশন’ আলোচনা করবেন ডাবলুজিএসএন।

ইন্টেক্স বাংলাদেশের আয়োজক ওয়ার্ল্ডেক্স ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর রাজেশ ভগত বৈশ্বিক পোশাক বাজারে বাংলাদেশের বিশিষ্ট ভূমিকা নিয়ে প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, "যে সব আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের কাছে বাংলাদেশ তাদের পণ্য পৌঁছে দিচ্ছে, ইন্টেক্স বাংলাদেশ সেক্ষেত্রে আরো উন্নতি এবং মূল্য যোগ করবে। মূল লক্ষ্য হলো, আন্তর্জাতিক বাজারে এদেশের সমৃদ্ধ পোশাক শিল্পকে উন্নীত করে, বাংলাদেশী ও আন্তর্জাতিক বাজারের মধ্যে একটি শক্তিশালী ব্যবসায়িক সেতুবন্ধন তৈরি করা।"

ইত্তেফাক/এসসি