মহেশপুরে ১৫২টি প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বায়োমেট্রিক হাজিরা ডিভাইজ (ডিজিটাল হাজিরা)। উপজেলা শিক্ষা অফিস ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক এনামুল কাদের খান স্বাক্ষরিত ও স্মারকে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ সকল প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের স্কুল লেভেল ইম্পাওয়ারমেন্ট প্লান (স্লিপ)-এর ফান্ড থেকে বিদ্যালয়ের বায়োমেট্রিক হাজিরা নিশ্চিত করার জন্য নির্দেশ দেন। এ বছর মহেশপুরে ১৫২টি বিদ্যালয়ের মধ্যে চারটি বিদ্যালয়ে ৮৫ হাজার, ৬৬টি বিদ্যালয়ে ৭০ হাজার এবং ৮২টি বিদ্যালয়ে ৫০ হাজার করে মোট ৯০ লাখ ৬০ হাজার টাকা বরাদ্দ আসে। এর থেকে ডিজিটাল হাজিরা মেশিন ক্রয় করে বাকি টাকা স্কুলের উন্নয়ন কাজে ব্যয় করার কথা।
সরেজমিনে খোঁজ-খবর নিয়ে দেখা গেছে, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংস্কারের কাজ হলেও ডিজিটাল হাজিরা খরিদ করা হয়নি। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মাহবুুবুর রহমান বলেন, প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এসএমসি কমিটি এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করার কথা। তিনি আরো বলেন, কোনো স্কুলেই এখনো পর্যন্ত ডিজিটাল হাজিরা খরিদ করা হয়নি তবে ৩০ জুনের মধ্যে এটি নিশ্চিত করা হবে।
