দেশের স্বনামধন্য কবি, সাহিত্যিক ও শিল্পীদের স্মরণ করতে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে শিল্পকলা একাডেমি ৪৫ গুণীজন স্মরণে ধারাবাহিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়ে গেল গতকাল।
সোমবার সন্ধ্যায় একাডেমির জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে ‘স্মৃতিসত্তা ভবিষ্যত্’ শীর্ষক স্মরণানুষ্ঠান প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ নেন সংগীতজ্ঞ অধ্যাপক ড. আ ব ম নূরুল আনোয়ার, বাংলাদেশ থিয়েটার আর্কাইভের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুস সেলিম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের অধ্যাপক শিল্পী জামাল আহমেদ, বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী কিরণ চন্দ্র রায়, আলোকচিত্রী পাভেল রহমান, বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান এবং চলচ্চিত্র সংসদ কর্মী ও আলোকচিত্রী মুনিরা মোরশেদ মুন্নী। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন একাডেমির সচিব বদরুল আনম ভুঁইয়া। উদ্বোধনী দিনে ছিল অমর সুরস্রষ্টা শচীন দেব বর্মণের সৃষ্টিকর্ম নিয়ে আলোচনা, ভিডিও চিত্র প্রদর্শন এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
আলোচনা শেষে সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে শিল্পকলা একাডেমির নৃত্যশিল্পীবৃন্দ। দীপা খন্দকারের নৃত্য পরিচালনায় দিব্য সাংস্কৃতিক সংগঠন, ফারহানা চৌধুরী বেবীর নৃত্য পরিচালনায় বাংলাদেশ একাডেমি অফ ফাইন আর্টস, একক সংগীত পরিবেশন করে হৈমন্তী রক্ষিত ও সন্দীপন। এছাড়াও একক সংগীত পরিবেশন করে কিরণ চন্দ্র রায় ও অনুপমা মুক্তি। পরিবেশিত হয় মুনীর চৌধুরী রচিত ড. আইরীন পারভীন লোপা নির্দেশিত আব্দুল্লাহ আল মামুন থিয়েটার স্কুলের পরিবেশনায় কবর নাটকের অংশ বিশেষ। আগামী ২৫ জুন থেকে ২ জুলাই পর্যন্ত জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে পর্যায়ক্রমে শিল্পীদের স্মরণ অনুষ্ঠানে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।
