নতুন রাজনৈতিক দল গণঅধিকার পরিষদের নেতৃত্বে কারা আছেন তা নিশ্চিত হবে আগামী ১০ জুলাই। এই দলটি নিবন্ধনের জন্য নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছে। কিন্তু দলটিতে বিরোধ-মতপার্থক্যের কারণে কে আহ্বায়ক বা সদস্য সচিব তা নিয়ে ধোঁয়াশার মধ্যে আছে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। এই পরিস্থিতিতে দলটির কার্যকারিতা পুনঃযাচাই করবে ইসি।
গত বুধবার রাজনৈতিক দলের তথ্য পুনঃযাচাই কমিটির আহবায়ক ও ইসির উপ-সচিব (আইন) মো. আব্দুছ সালাম স্বাক্ষরিত এক পত্রে বলা হয়েছে, ‘নির্বাচন কমিশন কর্তৃক গঠিত নির্ধারিত কমিটি ‘গণঅধিকার পরিষদ’ নামীয় রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির কার্যকারিতা এবং অন্যান্য বিষয় সংক্রান্ত তথ্য আগামী ১০ জুলাই বিকাল ৩টায় পুনঃযাচাই করবেন। ইসির নির্ধারিত সময়ে দলের আহবায়ক, সদস্য সচিব ও দপ্তর সম্পাদককে প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্তসহ উপস্থিত থাকার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মতবিরোধের জের ধরে গণঅধিকার পরিষদ থেকে রেজা কিবরিয়াকে বহিষ্কার করে যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খানকে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক করা হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ৪ জুলাই গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক রেজা কিবরিয়ার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বরাবর এক চিঠিতে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধিত আবেদনে গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব ভিপি নুরুল হক নুরের সকল দলিলাদি উপেক্ষা করতে বলেন।
চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, গত ১ জুলাই দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও দপ্তর সম্পাদক শাকিলুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে আমাকে বহিস্কারের বিষয়টি উল্লেখ ছিল। আমি দলের আহ্বায়ক হিসেবে স্বেচ্ছাচারিতায় বা অন্যায়ভাবে বহিষ্কার হতে পারি না। দলের আহ্বায়ক হিসাবে সদস্য সচিব নুরুল হক নুরের জমা দেওয়া সমস্ত দলিল উপেক্ষা করার জন্য সিইসিকে অনুরোধ করেন তিনি।
গণ অধিকার পরিষদ বাংলাদেশের একটু নতুন রাজনৈতিক দল। রেজা কিবরিয়া এবং নুরুল হক নূরের নেতৃত্বে গণ অধিকার পরিষদ নামের এই নতুন রাজনৈতিক দলটি আত্মপ্রকাশ করে ২০২২ সালে। গণ অধিকার পরিষদের প্রধান কার্যালয় ঢাকার পল্টনে। আহ্বায়ক কমিটিতে রয়েছেন ১০১ জন সদস্য। দলটি আত্মপ্রকাশের মাত্র এক বছরের মাথায় নিজেরাই বিরোধে জড়িয়ে পড়লো।
