নবম-দশম শ্রেণির পড়াশোনা

আপডেট : ২৫ জুন ২০১৯, ১৯:৩৫

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

সৃজনশীল প্রশ্ন                                                                                                                                                    

ক) গ্রহ কী ?                                                                                                                                                                                      খ) অশ্মমণ্ডল কী ? ব্যাখ্যা করো।                                                                                                                                            গ) ‘M ’ চিহ্নিত স্থানের স্থানীয় সময় মধ্যাহ্ন এবং ‘P’ চিহ্নিত স্থানের স্থানীয় সময় সকাল ১১ টা। P স্থানের দ্রাঘিমা ৮০0পূর্ব হলে M স্থানের দ্রাঘিমা কত ?                        

ঘ) “ কোন স্থানের অবস্থান এবং সময় নির্ণয় করতে চিত্রে অঙ্কিত রেখাগুলোর জ্ঞান প্রয়োজন ”-উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।

ক) উত্তর : মহাকর্ষ বলের প্রভাবে মহাকাশে কতকগুলো জ্যোতিষ্ক সূর্যের চারিদিকে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট কক্ষপথে পরিক্রমণ করছে। আর এদেরকে গ্রহ বলে।                                                                                       

 খ) উত্তর : গুরুমণ্ডলের উপরিভাগকে অশ্মমণ্ডল বা শিলামণ্ডল বলে। অশ্মমণ্ডল নানা রকম শিলা ও খনিজ দ্বারা গঠিত। এর গভীরতা মহাদেশীয় অঞ্চলের নিচে সবচেয়ে বেশি এবং মহাসাগরের নিচে সর্বাপেক্ষা কম। এর গভীরতা স্থান বিশেষ ৩০ হতে ৬৪ কিলোমিটার পর্যন্ত।

গ) উত্তর: উদ্দীপকে M চিহ্নিত স্থানের সময়মধ্যাহ্ন অর্থাত্ দুপুর ১২ টা এবং P চিহ্নিত স্থানের স্থানীয় সময় সকাল ১১টা। অর্থাত্ স্থান দুটির মধ্যে সময়ের পার্থক্য ১ ঘন্টা বা ৬০ মিনিট। আমরা জানি, ১0দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য = ৪ মিনিট।                                                                                                           ৬০ মিনিটের জন্য দ্রাঘিমার পার্থক্য হবে = ৬০ ÷ ৪ =১৫0দ্রাঘিমা।                                                                                       ক , গ এর সাথে ১৫0 যোগ করলেই ‘ক’ এর দ্রাঘিমা পাওয়া যাবে।0   ক এর দ্রাঘিমা = গ এর দ্রাঘিমা + ১৫0= ৮০0পূর্ব + ১৫0পূর্ব  = ৯৫0পূর্ব।                                                                                                                                                               উপরের আলোচনা থেকে দেখা যায় , M স্থানের দ্রাঘিমা হলো ৯৫0পূর্ব।

ঘ) উত্তর : কোন স্থানের অবস্থান ও সময় নির্ণয় করতে চিত্রে অঙ্কিত রেখাগুলো অর্থাত্ বিষুবরেখা ও মূলমধ্য রেখার জ্ঞান প্রয়োজন। পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান ও সময়ের মধ্যে পার্থক্য বিদ্যমান। আবার একই অক্ষরেখায় সময় একই।  এরূপ জটিলতা এড়াতে এবং সময়ের মধ্যে সামঞ্জস্য রক্ষা করতে এসব কাল্পনিক রেখার কোনো বিকল্প নাই। অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমা রেখার অবস্থান থেকে খুব সহজেই যেকোনো স্থানের স্থানীয় সময় বা প্রমাণ সময় নির্ণয় করা যায়। অন্যান্য স্থানের সময়ের সাথে সময়ের পার্থক্য বের করা যায়। এজন্য সময়ের হিসাবের সাথে কাল্পনিক রেখার হিসেবও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। একইভাবে পৃথিবীর কোনো স্থানের নির্ভুল অবস্থান নির্ণয় করতেও কাল্পনিক রেখাগুলো সমান গুরুত্ব বহন করে। দ্রাঘিমাংশ অক্ষাংশের সাহায্যে যেকোনো স্থানের অবস্থান অত্যন্ত নির্ভুলভাবে শনাক্ত করা যায়।  বিমান ও জাহাজ চলাচল, কোনো লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করা, খনিজসম্পদ সংগ্রহ ইত্যাদি কাজে কাল্পনিক রেখা সহায়তা করে। কৃষি উত্পাদনেও এটি সহায়তা করে। অতএব বলা যায়, কোনো স্থানের অবস্থান ও সময় নির্ণয় করতে চিত্রে অঙ্কিত রেখাগুলোর জ্ঞান থাকা প্রয়োজন।