বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে চার্জ কর্তন প্রসঙ্গে

আপডেট : ২৫ জুন ২০১৯, ২১:২৮

অ্যানালগ পদ্ধতির বৈদ্যুতিক মিটার থাকার সময় বিদ্যুত্ বিভাগের একজন কর্মচারী বাড়িতে এসে মিটারের রিডিং নিয়ে যেতেন। অফিস থেকে ঐ হিসাব অনুযায়ী বিল করে বিলের কপি বাসায় পৌঁছে দেওয়া হতো। এতে করে বিদ্যুত্ বিভাগের অনেক জনবল লাগত। বর্তমানে ডিজিটাল প্রিপেইড মিটার লাগানো শুরু হয়েছে। এতে বিদ্যুত্ বিল বাকি রাখা রোধ হলো এবং কোনো কর্মচারীকে আর বাসাবাড়িতে আসতে হয় না। গ্রাহককে পরিমাণমতো অর্থ অগ্রিম লোড দিতে হয়। প্রিপেইড মিটারে বিদ্যুত্ বিভাগের জনবল কম লাগায় এ পদ্ধতির মিটার থেকে বিভিন্ন চার্জ কর্তন না করে গ্রাহককে এ ধরনের মিটার ব্যবহারে উত্সাহিত করা প্রয়োজন, কিন্তু প্রি-পেইড মিটারের বিভিন্ন চার্জ কর্তন অত্যন্ত দুঃখজনক। আমার দুই বারের মিটারে টাকা লোড করার বিবরণ তুলে ধরছি—১৮-৪-২০১৯ তারিখে ১০০০  টাকা লোড দিলাম, দেখলাম মিটার ভাড়া ১৬০ টাকা, ডিমান্ড চার্জ ২০০ টাকা, ভ্যাট ৪৭.৫০ টাকা, রিবেট ৭.৭৫ টাকাসহ বিভিন্ন চার্জ কর্তনের পর এনার্জি কস্ট দেখলাম মাত্র ৫৯০.৬১ টাকা, অর্থাত্ ১০০০ টাকা দিয়ে ৫৯০ টাকার বিদ্যুত্ ভোগ করার সুযোগ পেলাম। কয়েকদিন পর ৭-৫-১৯ তারিখে আবার ১০০০ টাকা লোড দিয়ে দেখলাম মিটার ভাড়া ৪০ টাকা, ডিমান্ড চার্জ ৫০ টাকা, ভ্যাট ৪৭.৬২ টাকা, রিবেট ৯.০৩ টাকা কর্তনের পর বিদ্যুত্ ব্যবহারের সুযোগ পেলাম ৮৭১.৪১ টাকা। এভাবে বিভিন্ন চার্জ কর্তনে গ্রাহক এ মিটার ব্যবহারে উত্সাহ হারাচ্ছেন। যেহেতু এ মিটার ব্যবহারে বিদ্যুত্ বিল বাকি রাখার সুযোগ নেই; বরং অগ্রিম টাকা দিতে হয় এবং বিদ্যুত্ বিভাগের জনবলকে মিটারের বিল দিতে আসতে হয় না অর্থাত্ জনবল কম লাগে। তাই প্রি-পেইড মিটারের সকল চার্জ মওকুফ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

মো. ইয়াছিন মজুমদার

অধ্যক্ষ, ফুলগাঁও ফাযিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা,

লাকসাম, কুমিল্লা