সাবিত্রীর চোখে মারিয়া, মাসুরা ও সাবিনা খেলতে পারেন বিদেশের মাটিতে

আপডেট : ১৮ জুলাই ২০২৩, ১১:৩৭

দেশে মেয়েদের ফুটবলে এখন যারা খেলছেন তাদের খেলা দেখে অবাক হয়েছেন নেপালের স্ট্রাইকার সাবিত্রী ভান্ডারিয়া। নেপাল ফুটবলের তারকা তিনি। ইসরাইলের একটি ক্লাবে ডাক পেয়েছেন। খেলেছেন ভারতীয় মহিলা লিগে। ২৯ গোল করেছেন। ঢাকায় বাংলাদেশের বিপক্ষে ফিফা টায়ার-১ দুই ম্যাচ সিরিজ জয় করা নেপালের জয়ের পেছনের কারিগর ছিলেন তিনি। বাংলাদেশের বিপক্ষে হারতে হারতে প্রথম ম্যাচটা বাঁচিয়েছেন সাবিত্রী। 

শনিবার কমলাপুর স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ম্যাচে টাইব্রেকিংয়ে প্রথম শট নিয়ে গোল করেছিলেন সাবিত্রী। দেখার মতো শট ছিল। চোখ জুড়ানো শট। কিন্তু মাঠের লড়াইয়ে সাবিত্রী ততটা উজ্জ্বলতা ছড়াতে পারেননি। সিরিজ জিতে মাঠে দাঁড়িয়ে কথা বললেন নেপাল মহিলা ফুটবল দলের কান্ডারি সাবিত্রী ভান্ডারিয়া।

সাবিত্রী বলেন, ‘এই সিরিজটা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ ছিল, এখানে (ঢাকায়) খুব গরম। নেপালের চেয়ে এখানকার আবহাওয়া  ভিন্ন। স্ট্রাইকার হিসেবে ঢাকার দর্শকের মন জয় করতে পারেনি-এমন কথার জবাবে সাবিত্রী বললেন, ‘কখনো কখনো এমন হয়। তুমি চাইলেও ভালো করবে না। ঢাকায় এসে সেটাই হয়েছে।’

বাংলাদেশের মহিলা ফুটবলারদের দেখে কেমন মনে হচ্ছে? সাবিত্রী বললেন, ‘বাংলাদেশের প্লেয়াররা এখন অনেক বেশি মানসম্পন্ন। তাদের তরুণ খেলোয়াড় রয়েছে, যাদের স্ট্যামিনা এবং স্কিল চোখে পড়ার মতো ভালো। অভিজ্ঞ ফুটবলার রয়েছে। এই বাংলাদেশ আগের বাংলাদেশ না। যে তুমি চাইলেই যা খুশি করতে পারবে। ভালো ডিফেন্স করেছে আমাকে। আর এ কারণে আমিও গোলের সুযোগ পাইনি। ওরা খুবই ভালো খেলেছে। আমাকে কোনো সুযোগই দেয়নি।’ 

বাংলাদেশের কোনো ফুটবলার কি চোখে পড়েছে, যারা বিদেশের মাটিতে খেলতে পারে? ‘অবশ্যই। আমি তো অনেক প্রতিভা দেখছি। তারাও চাইলে ভারতীয় ফুটবলে খেলতে পারে। অন্যান্য দেশে খেলার মতো যোগ্যতা রয়েছে। মারিয়া মান্ডা, মাসুরা পারভিন, সাবিনা খাতুনদের যোগ্যতা আছে বাইরে খেলার।’

সাবিত্রীর চোখে, ‘ভারতের ফুটবল আর অন্যান্য দেশের মহিলা ফুটবল খুব একটা পার্থক্য নেই। একই। তবে আমি বলব বাংলাদেশের ফুটবলাররা উন্নতি করেছে।’

ইত্তেফাক/এসএস