ভাঙনে সিরাজগঞ্জে চরাঞ্চলে জমিসহ বাড়িঘর যমুনার গর্ভে বিলীন

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২৩, ১৩:৩৯

সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে যমুনা নদীর চরাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে ভাঙন শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যেই শতাধিক ঘরবাড়ি, খেয়াঘাট, গাছপালা ও ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। তবে ভাঙন নিয়ন্ত্রণে পানি উন্নয়ন বোর্ড কাজ করছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড, সিরাজগঞ্জের সেকশন অফিসার রনজিৎ কুমার সরকার জানান, কয়েক সপ্তাহ আগে পাহাড়ি ঢল ও দফায় দফায় ভারী বর্ষণে যমুনায় পানি বৃদ্ধি পায়। তবে বর্তমানে যমুনার পানি কমতে থাকলেও  নদীর ভাঙান দেখা দিয়েছে। যা কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত সপ্তাহ থেকে ওই উপজেলার চরাঞ্চলের তেকানি, খাসরাজবাড়ি ও নিশ্চিন্তপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে ভাঙন শুরু হয়। এতে শতাধিক ঘরবাড়ি ও  অনেক ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায় এবং বর্তমানে বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হুমকির মুখে রয়েছে।  তাছাড়া খাসরাজবাড়ি ইউনিয়নের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

তবে তেকানী ইউনিয়নের ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্ববধায়নে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে, এতে ভাঙন এখন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তাই এখন আতঙ্কি হওয়ার কিছু নেই বলে জানান স্থানীয় পাউবো’র  এই প্রকৌশলী।

ভাঙনে ভুক্তভোগীরা জানান, উপজেলার ১২ ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থান দিয়ে যমুনা নদী বয়ে গেছে। এর মধ্যে যমুনা নদীর পূর্বপাড় চরাঞ্চলের ছয় ইউনিয়ন রয়েছে। তীব্র স্রোতে ও পানি প্রবাহের কারণে প্রতিবছরই চরাঞ্চলে এ ভাঙনে বহু পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি, অনেক পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে। এছাড়া শাহজাদপুর, চৌহালী, বেলকুচি ও এনায়েতপুরের অনেক স্থানে ভাঙনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলে এখন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুখময় সরকার জানান, চরাঞ্চলের ভাঙন বিষয়ে স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডকে (পাউবো) জানানো হয়েছে। ইতোমধ্যেই তেকানী ইউনিয়নের পাউবো’র তত্ত্বাবধায়নে ভাঙন রোধে কাজ চলছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ইত্তেফাক/আরএজে