বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ বলেছেন, জিয়াউর রহমান মদের লাইসেন্স দিয়েছেন, কিন্তু মদের লাইসেন্স কি মুসলমানদের জন্য? তখন মদের লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে শর্ত দেওয়া হয়েছিল। গতকাল মঙ্গলবার সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি দলের নেতাদের বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে তিনি একথা বলেন।
হারুন বলেন, সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বলা হয়েছে। আবার ভেতরে বলা হয়েছে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সমমর্যাদা, সমঅধিকার নিশ্চিত করবে। এই দেশে সাঁওতালরা তাদের বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠানে মদ্যপান করেন, ডোমরা মদ পান করেন, সুইপাররা পান করেন। এখানে বিদেশি কর্মীরা রয়েছেন, যাদের মদ লাগত। তিনি বলেন, যে সমস্ত মদের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, কোথাও কি দেখাতে পারবেন ওই লাইসেন্সের মধ্যে মুসলমানদের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে? শর্ত না থাকলে আমরা অনেকেই মদ পান করে সংসদে চলে আসতাম। তখন কোনো আইন ছিল না মদ বন্ধ করার। কেউ যদি মদ পান করে সংসদে প্রবেশ করে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাহিনী আমাদের ধরে নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। সরকারের উদ্দেশে হারুন বলেন, আপনারা ক্ষমতায় তো আছেন বিশ বছর ধরে। জিয়াউর রহমানের করা আইনটা কেন বাতিল করেন না?
কালুর ঘাট ব্রিজের সুরাহা না হলে সংসদ থেকে বের হয়ে যাব: বাদল
বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে বাংলাদেশ জাসদের কার্যকরী সভাপতি মঈন উদ্দীন খান বাদল বলেছেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে চট্টগ্রামে কালুরঘাট ব্রিজের সত্গতি (কাজের সুরাহা) না হলে সংসদ থেকে তিনি বের হয়ে যাবেন। তিনি বলেন- আমি শুধু বকাউল্লাহ, আর গরীবুল্লাহ। মাঝে মাঝে ফ্যাঁ ফ্যাঁ করি। আর সুপারিশ মোতাবেক বাহ, বেশ, বেশ করি। বাদল আরও বলেন, এই প্রকল্পে চারবার ফিজিবিলিটি স্টাডি হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার এসএমবিসি ফিজিবিলিটি স্ট্যাডি করেছে তাইওয়ানের ‘ওইকন’ করেছে। বাংলাদেশের এইচ কনসালটেন্ট করেছে। এটা শেষ হওয়ার পর দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে কথা হয়েছে।
