বর্তমানে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের পেস ইউনিটের প্রধান অস্ত্র তাসকিন আহমেদ। বেশ কিছু সিরিজ ধরেই নিজের আলো ছড়িয়ে বেড়াচ্ছেন জাতীয় দলের জার্সি গায়ে। তার দেখাদেখি দলের অন্য তরুণরাও অনুপ্রেরণা পাচ্ছেন ভালো পারফর্ম করার। তবে তাসকিন বেশ ইনজুরিপ্রবণ এবং দলের শক্তির অন্যতম উৎস হওয়ায় দেশের বাইরে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলোতে খেলার সুযোগ ডাক পেয়েও যেতে পারে না কিংবা বলা যায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তাকে বাইরে খেলতে পাঠিয়ে ঝুঁকি নিতে চায় না।
তবে চলতি মাসে ঘরের মাঠে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ শেষ করে প্রথম বারের মতো ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ খেলতে বিসিবি থেকেও সবুজ সংকেত পান জিম্বাবুয়েতে যাওয়ার। সেখানে গিয়ে জিম আফ্রো টি-টেন টুর্নামেন্টে বুলাওয়ে ব্রেভসের হয়ে খেলে নিজের ছাপ ফেলে এসেছে তিনি। যদি তার দল সেমিফাইনালে কিংবা ফাইনালে উঠতে পারতো তাহলে এ আসরের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির স্থানটা তার দখলেই থাকতো। তবে আফসোস তা হয়নি, ৭ ম্যাচে ১৪ ওভার বল করে ১১০ রানের বিনিময়ে আসরের তৃতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হিসেবে ১১ উইকেট নিয়েছেন তাসকিন।
এদিকে জিম্বাবুয়ে থেকে গতকাল রোববার (৩০ জুলাই) দেশে ফেরেন এই টাইগার পেসার। এ সময় তাসকিন জানান, প্রথম বারের মতো খেলতে যাওয়ার অনুভূতি। তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে একটা ভালো অভিজ্ঞতা ছিল। প্রথম বারের মতো (বিদেশে) ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেললাম, অভিজ্ঞতাটা ভালোই ছিল। যদিও দল হিসেবে আমরা ফাইনাল খেলতে পারিনি। কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে আমি মোটামুটি ভালোই খেলেছি। সন্তুষ্ট যে রিদমটা ভালো হচ্ছে। আর উন্নতি হচ্ছে, এটাই। এক্সিকিউট করতে পারছি। ব্যক্তিগতভাবে হয়তো মোটামুটি ভালো টুর্নামেন্টে গেছে। কিন্তু এখনো উন্নতির লক্ষ্যেই আছি।’
তাসকিন আরো বলেন, ‘প্রথম বারের মতো টি টেন খেললাম। একদম ভিন্ন অভিজ্ঞতা ছিল। প্রথম ওভার থেকেই ওরা আসলে খুবই হাইলি ইন্টেন্ট রাখে মারার জন্য। ১০ ওভারের মধ্যে তিন ওভার পাওয়ার প্লে থাকে। নতুন বলে দুই ওভার, আরেকটা যে কোনো সময় আপনি নিতে পারবেন। আমি মোস্ট অব দ্য টাইম পাওয়ার প্লেতেই করেছি দুইটা ফিল্ডার বাইরে। এর মধ্যেও যে ভালো ইকোনোমিতে টুর্নামেন্ট শেষ করেছি এবং ভালো চ্যালেঞ্জ ছিল।’
