নওগাঁ জেলা পরিষদ

চেয়ারম্যানের নির্দেশে সদস্যকে মারধরের অভিযোগ

আপডেট : ০২ আগস্ট ২০২৩, ০৩:৩১

নওগাঁ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম ফজলে রাব্বী বকুর বিরুদ্ধে অনিয়ম, স্বেচ্ছেচারিতা ও সদস্য জাকির হোসেন জয়কে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সোমবার রাতে জাহাঙ্গীর নামে জেলা পরিষদের একজন ঠিকাদারসহ অজ্ঞাত আরও পাঁচ-ছয় জনের বিরুদ্ধে নওগাঁ সদর থানায় মামলা করেন ঐ সদস্য। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম ফজলে রাব্বীর নির্দেশে তার ওপর হামলা চালানো হয়েছে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। 

নওগাঁ সদর থানার ওসি জানান, সোমবার দুপুরে জেলা পরিষদ কার্যালয়ে জেলা পরিষদের সদস্য জাকির হোসেনের ওপর হামলার ঘটনা জানতে পেরে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।

ওসি আরও জানান, ঘটনায় সোমবার রাতে থানায় মামলার পর হামলাকারীদের গ্রেফতারের অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে মামলার আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। ঘটনার পরদিন মঙ্গলবারও জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন অফিসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এদিকে মারধরের ঘটনার কিছু অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে নওগাঁয় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। 

নওগাঁ জেলা পরিষদের ৭ নম্বর সদস্য গোলম নূরানী আলাল অভিযোগ করেন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অনৈতিকভাবে তার ইচ্ছামতো পরিষদ পরিচালনা করতে চান। তার অন্যায় সিদ্ধান্তে একমত না হলে বিভিন্ন সময়ে গালিগালাজ ও হুমকি-ধমকি দেন।

জাকির হোসেন বলেন, ‘জেলা পরিষদে দিনদুপুরে ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই।’

এ বিষয়ে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম ফজলে রাব্বী বলেন, ‘জেলা পরিষদ কার্যালয়ে মারামারির কোনো ঘটনা ঘটেনি। তার পরেও মামলা হয়েছে, তদন্ত হোক। কার নির্দেশে কে কাকে মারধর করেছে, এটা তদন্ত হলেই বের হয়ে আসবে। এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না।’

ইত্তেফাক/এমএএম