জন্মদিনের সাত দিন আগে চলে গেলেন বিশ্বের বয়স্ক ব্যক্তি

আপডেট : ০২ আগস্ট ২০২৩, ১৪:৫৯

চলে গেলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি। ১২৭ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ব্রাজিলের বাসিন্দা হোসে পাউলিনো গোমেজ। মাত্র এক সপ্তাহ পরেই তার ১২৮তম জন্মদিন ছিল। নিজের বাড়িতেই গত শুক্রবার তার মৃত্যু হয়।

সাত সন্তান, ২৫ নাতি, ৪২ পুতি, ১১ নাতির নাতি রেখে মৃত্যুবরণ করেছেন হোসে পাউলিনো গোমেজ। ১৮৯৫ সালের ৪ আগস্ট জন্ম হয় পাউলিনোর। দুটি বিশ্বযুদ্ধের পাশাপাশি তিনটি মহামারি দেখেছেন তিনি। 

হোসের পরিবার জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থতার কারণে তিনি ভুগছিলেন। শুক্রবার তার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হতে থাকে এবং রাতেই তার মৃত্যু হয়। 

মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক পোস্ট তার পরিবারের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, হোসে সাধারণত চাষবাস এবং পশুপালন নিয়ে থাকতেন। মাঝেমধ্যে মদ্যপান করতে পছন্দ করতেন। ব্রাজিলের করেগো ডেল কাফেতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করতেন পাউলিনো। মৃত্যুর চার বছর আগে পর্যন্তও নিয়মিত ঘোড়া চালাতেন তিনি। পশুদের পোষ মানানোর কাজকেই পেশা হিসাবে বেছে নিয়েছিলেন। বয়স হয়ে গেলেও পশুদের সঙ্গে সময় কাটাতে পছন্দ করতেন। এছাড়াও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত খাদ্যবস্তু খেয়েই দিন কাটাতেন পাউলিনো।

১২৭ বয়সী ব্রাজিলের বাসিন্দা হোসে পাউলিনো গোমেজ।

১৯১৭ সালে পাউলিনোর বিয়ে হয়। সেই সার্টিফিকেট থেকেই তার বয়সের প্রমাণ মেলে। গোমেজকে শনিবার সমাধিস্থ করা হয়েছে। গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুযায়ী, ১১৬ বছর বয়সী মারিয়া ব্রানিয়াস মোর ‘বিশ্বের প্রবীণতম জীবিত ব্যক্তি’। মোরের জন্ম ১৯০৭ সালের ৪ মার্চ। ‘বিশ্বের প্রবীণতম জীবিত পুরুষ’ হিসাবে নাম রয়েছে ভেনিজুয়েলার হুয়ান ভিসেন্তে পেরেজের। তার বয়স ১১৪ বছর। 

এর আগে সবচেয়ে বেশি বয়স পর্যন্ত বেঁচে থাকার রেকর্ড ছিল ফ্রান্সের জেন ক্যালমেন্টের। ১৯৯৭ সালে ১২২ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়।

ইত্তেফাক/এএইচপি