চাঙ্গিনী-নূরপুর উচ্চ বিদ্যালয় শিক্ষকসংকটে ব্যাহত পাঠদান

আপডেট : ০৪ আগস্ট ২০২৩, ০৬:৪৬

কচুয়ার চাঙ্গিনী-নূরপুর উচ্চ বিদ্যালয়টি ২০০৫ সালে স্থাপিত হয়। পরের বছর, অর্থাত্ ২০০৬ সালেই বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্ত হয়। শুরু থেকে এই বিদ্যালয় এসএসসি ও জেএসসি পরীক্ষায় ভালো ফল অর্জনসহ সুনামের সঙ্গে পরিচালিত হয়ে আসছে। তবে বর্তমানে শিক্ষকের সংকটসহ নানা কারণে বিদ্যালয়টি তার সুনাম ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ে শিক্ষক ও কর্মচারীর সংখ্যা ১৯। এর মধ্যে শিক্ষকের পদসংখ্যা ১৩। বর্তমানে ১৩ জনের বিপরীতে বিদ্যালয়ে মাত্র পাঁচ জন শিক্ষক রয়েছেন। তার মধ্যে ২০১৯ সাল থেকে ধর্মীয় সিনিয়র শিক্ষক আনোয়ার হোসেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। গণিত, সমাজ, ভৌতবিজ্ঞান ও কৃষি বিষয়ে এক জন করে শিক্ষক থাকলেও বাংলা, ইংরেজি, তথ্য, শারীরিক শিক্ষা ও ব্যাবসায় শিক্ষায় নেই কোনো শিক্ষক। তিন জন খণ্ডকালীন শিক্ষক দ্বারা এসব বিষয়ে পাঠদান করা হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীরা কাঙ্ক্ষিত শিক্ষা অর্জন করতে পারছে না। এদিকে অবকাঠামোগত দিক থেকে বিদ্যালয়ে রয়েছে তিন কক্ষবিশিষ্ট একটি ভবন এবং এল আকৃতির সাত কক্ষবিশিষ্ট টিনের ঘর। বর্তমানে টিনের ঘরটির জরাজীর্ণ অবস্থা রয়েছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন জানান, গ্রুপভিত্তিক শ্রেণিকক্ষসহ ১০টি শ্রেণিকক্ষের প্রয়োজন। তাছাড়া প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের অফিসরুম, লাইব্রেরি, কম্পিউটার ল্যাব, মিলনায়তন—এসব মিলিয়ে মোট ১৫টি কক্ষের প্রয়োজন। সেখানে টিনের ঘরটি জরাজীর্ণ। এ অবস্থায় নতুন একাডেমিক ভবন একান্ত প্রয়োজন।

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এ ইউসুফ বলেন, ‘শিক্ষক নিয়োগের জন্য দফায় দফায় এনটিআরসির কাছে তালিকা পাঠানো সত্ত্বেও কোনো শিক্ষক পাচ্ছি না। তাছাড়া নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণের জন্যও সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়ে আসছি। এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলী আশরাফ খান জানান, এই বিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে স্থানীয় সংসদ সদস্য ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীরের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হবে।

ইত্তেফাক/এএইচপি