শহর ও গ্রামীণ এলাকার বাজেট বরাদ্দে বৈষম্য কমাতে হবে

আপডেট : ২৬ জুন ২০১৯, ২১:২৩

প্রস্তাবিত ২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন (ওয়াশ) খাতে বরাদ্দ বাড়লেও এটি টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ৬ এবং ৭ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার লক্ষ্য অর্জনে চ্যালেঞ্জগুলো পূরণে যথেষ্ট নয়। গতকাল বুধবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ খাতের সংশ্লিষ্টরা বলেন, প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন (ওয়াশ) খাতে আরো ন্যায্য বরাদ্দ প্রয়োজন। ওয়াটারএইড, ইউনিসেফ, পিপিআরসি, ফানসা-বিডি, ডব্লিউএসএসসিসি-বি, এফএসএম নেটওয়ার্ক, স্যানিটেশন অ্যান্ড ওয়াটার ফর অল এবং ওয়াশ অ্যালায়েন্সের উদ্যোগে যৌথভাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনে অর্থনীতিবিদ ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, দীর্ঘমেয়াদে ওয়াশ খাতে ব্যয়ের প্রবণতা ক্রমাগতভাবে কমছে। গ্রামাঞ্চল, দুর্গম এলাকায় নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিনের (ওয়াশ) চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে জাতীয় বাজেটে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

আয়োজকরা জানান, গ্রামীণ ও চর এলাকায় তীব্র চাহিদা থাকা সত্ত্বেও, নগর ও শহরগুলোতে বরাদ্দের পরিমাণ তুলনামূলক অনেক বেশি। মোট ১১টি সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও খুলনার চারটি ওয়াশায় বরাদ্দ বেড়ে গেলে গ্রামীণ এলাকায় বরাদ্দ কমেছে।

সংবাদ সম্মেলনে কিছু সুপারিশ তুলে ধরে বলা হয়, ‘কাউকে পিছনে রেখে নয়’— এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিশ্চিত করতে শহর ও গ্রামীণ এলাকার বাজেট বরাদ্দে বৈষম্য হ্রাস করতে হবে। সে সঙ্গে দুর্গম এলাকা, যেমন- পাহাড়, চর, হাওর এবং উপকূলীয় দ্বীপগুলোতে ওয়াশ বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে হবে। মহিলা, শিশু এবং প্রতিবন্ধী এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। হতদরিদ্র ও গরিব এ দুই ধরনের জনগোষ্ঠীর নিকট নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা পৌঁছে দিতে প্রয়োজনে ভর্তুকির ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।