সোমবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২৩, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪৩০
দৈনিক ইত্তেফাক

ভিয়েতনাম পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাতে বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূতের আহ্বান

রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে ভূমিকা রাখতে পারে ভিয়েতনাম

আপডেট : ০৯ আগস্ট ২০২৩, ২০:০১

রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে ভিয়েতনাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত সামিনা নাজ। ভিয়াতনামের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বুই থান সনের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাতে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন সামিনা। 

এসময় তিনি আঞ্চলিক-আন্তর্জাতিক ফোরামে বিশেষ করে জাতিসংঘে উভয় দেশ পরস্পরকে সহযোগীতা ও সমর্থন করে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন । 

বুধবার (৯ আগস্ট) সকালে বিদায়ী সাক্ষাতের রাষ্ট্রদূত সামিনা নাজকে ভিয়েতনাম পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব আশ্বাস দেন। 

দূতাবাসের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ-ভিয়েতনাম দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে বিশেষ অবদানের জন্য বাংলাদেশ দূতাবাস ও রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রশংসা ও ধন্যবাদ জানান। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের সামাজিক-অর্থনৈতিক উন্নয়নের কথা উল্লেখ করেন এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এএসইএন সভায় তার সাক্ষাতের কথা স্মরণ করেন। 

ভিয়েতনাম পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাতে বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত সামিনা নাজ।

তিনি রাষ্ট্রদূতকে হ্যানয়ে কর্মকালীন সময়ে দু-দেশের মধ্যে কূটনৈতিক, বাণিজ্যিক, পিপল টু পিপল কানেকটিভিটি এবং সর্বোপরী দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্কোন্নয়নে বিশেষ অবদানের জন্য প্রশংসা করেন। 

রাষ্ট্রদূত মন্ত্রীকে জানান যে ২০১৭ তে ভিয়েতনামে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব নেওয়া কালীন সময়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে বিশেষভাবে নির্দেশ দেন যেন তিনি বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের মধ্যেকার বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে বেগবান করেন। 

বিগত বছরগুলোতে দু-দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের ব্যাপক উন্নয়নে দূতাবাস ও রাষ্ট্রদূত যে নিরলস কাজ করেছেন (২০১৭ তে দু-দেশের বাণিজ্যের পরিমান ছিল ৭০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা ২০২২-এ এসে ১.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এর উর্ধ্বে উন্নীত হয়েছে) তা উল্লেখ করেন। বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম ভবিষ্যতে আরও অধিক সহযোগীতার মাধ্যমে দু-দেশের দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ককে এক উচ্চতর স্তরে নিয়ে যাবে মনে করে 

রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানান যে শিগগিরই দু-দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ শুরু হবে।  যা দু-দেশের বাণিজ্য, কুটনীতি, পিপল টু পিপল সংযোগ, বৌদ্ধ রেলিক সাইটে পর্যটন উন্নয়ন, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কোন্নয়নে এক নূতন দিগন্তের সূচনা করবে। রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বাংলাদেশে ভিয়েতনামিজ বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেন। 

 

ইত্তেফাক/আরএজে