আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

প্রতিষ্ঠার ৪৯ বছর পর প্রথম সিজার

আপডেট : ১০ আগস্ট ২০২৩, ০২:৩০

হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার ৪৯ বছর পর আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চালু হলো অপারেশন থিয়েটার (ওটি)। সম্প্রতি হাসপাতালের ওটিতে প্রথম সিজারে ছেলেশিশুর জন্ম দিয়েছেন এক প্রসূতি। বর্তমানে মা ও নবজাতক দুই জনই সুস্থ আছেন।

সিজারিয়ান অপারেশনে দায়িত্ব পালন করেন গাইনি কনসালট্যান্ট ডা. মশিউর রহমান, অ্যানেস্থেশিয়া কনসালট্যান্ট ডা. আনিচুর রহমান, মেডিক্যাল অফিসার ডা. তরিকুল ইসলাম, সিনিয়র নার্স মাধবীলতা রাজিব, সম্পা ভান্ডারী ও মাধবী গাইন প্রমুখ। এ সময় স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বখতিয়ার আল মামুন উপস্থিত ছিলেন।

নবজাতকের বাবা জটিল জয়ধর বলেন, ‘বিনা মূল্যে এই হাসপাতালে আমার স্ত্রীর সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। চিকিৎসকদের সহযোগিতায় স্ত্রী এবং ছেলে দুই জনই সুস্থ রয়েছে।’ 

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বখতিয়ার আল মামুন জানান, ১৯৭৪ সালে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরে এটিকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। বর্তমানে ১০০ শয্যার প্রস্তাবনা মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। হাসপাতালটিতে চিকিৎসক-সংকট কাটিয়ে আধুনিক সব যন্ত্রপাতিসহ অত্যাধুনিক অপারেশন থিয়েটার চালু করা সম্ভব হয়েছে।

উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত জানান, এই হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পর এই এলাকার সাধারণ মানুষের চাহিদা ছিল বিনা মূল্যে যে কেনো অপারেশনসেবা পাওয়া। কিন্তু সার্জন বা অ্যানেসস্থেশিয়া চিকিৎসক-সংকটের কারণে স্বয়ংসম্পূর্ণ আধুনিক অপারেশন থিয়েটার চালু করা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘ দিন পরে হলেও অপারেশন থিয়েটার চালু হওয়ায় এলাকার মানুষ সিজারিয়ান অপারেশনসহ যে কোনো অপারেশন বিনা মূল্যে করাতে পারবেন। তবে এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য তিনি চিকিৎসকদের প্রতি আহ্বান জানান।

ইত্তেফাক/এমএএম