মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার গহীন জঙ্গল থেকে আটকরা ‘ইমাম মাহমুদের কাফেলা’ নামের নতুন একটি জঙ্গি সংগঠনের সদস্য বলে জানিয়েছেন কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) প্রধান মো. আসাদুজ্জামান।
এর আগে রাতভর অভিযান শেষে শনিবার (১২ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১০টায় তাদের আটক করা হয় এবং শিশুদের হেফাজতে নেওয়া হয়।
আটকরা হলো, সাতক্ষীরার দক্ষিণ নলতা গ্রামের শরিফুর ইসলাম (৪০) তার স্ত্রী আমেনা বেগম (৩৫), কিশোরগঞ্জের ইটনা থানার হাফিজ উল্লাহ (২৫), সিরাজগঞ্জের কাজীপুর থানার রফিকুল ইসলাম (২২), নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার খায়রুল ইসলাম (২২) ও তার স্ত্রী মেঘনা (১৭) তাদের শিশু সন্তান আবিদা, পাবনার আর্যগরিয়া থানার শাপলা বেগম (২২) এবং তার দুই শিশু সন্তান জুবায়দা ও হুজাইফা, নাটোরের চাঁদপুর গ্রামের মাইশা ইসলাম ইসলাম (২০) বগুড়ার সারিয়াকান্দি থানার সানজিদা খাতুন (১৮), হাবিবা বিনতে শফিকুল (২০)।
সিটিটিসির প্রধান বলেন, উগ্রবাদী মতাদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে তারা নির্জন এলাকায় আস্তানা করেছিলেন। এটি নতুন একটি সংগঠন, নাম হচ্ছে ‘ইমাম মাহমুদের কাফেলা’। বাংলাদেশে এই সংগঠন নতুন করে কার্যক্রম শুরু করেছে। সংগঠনটি মূল ব্যক্তির নামও জানা গেছে। এর সঙ্গে আরও যারা জড়িত আছেন তাদেরও আটক করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
তিনি আরও বলেন, তাদের আস্তানা থেকে থেকে ২.৫ কেজি বিস্ফোরক, ৫০ টি ডেটোনেটর, প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল, কমান্ডো বুটসহ অন্যান্য প্রশিক্ষণ সরঞ্জামাদি, ছুরি-রামদাসহ অন্যান্য ধারালো অস্ত্র এবং নগদ ৩ লাখ ৬১ হাজার টাকা, স্বর্ণালংকার, বিপুল পরিমাণ খাদ্য সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। পরে সিটিটিসির বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট স্থানীয় আজগরাবাদ ফুটবল মাঠে বিস্ফোরকগুলো নিষ্ক্রিয় করে। এ সময় সেখানে হাজার হাজার উৎসুক জনতার ভিড় জমে উঠে। এনিয়ে কুলাউড়া উপজেলা জুড়ে কৌতূহল বিদ্যমান।
