সাঈদীর গায়েবানা জানাজায় সংঘর্ষ

কক্সবাজারে দুই মামলায় আসামি সাড়ে ৬ হাজার

আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০২৩, ২২:০৯

মানবতাবিরোধী অপরাধে আমৃত্যু কারাদন্ডাদেশ পাওয়া জামায়াতের নায়েবে আমীর আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর গায়েবানা জানাযা ঘিরে কক্সবাজারের পেকুয়ায় সহিংস ঘটনায় অবশেষে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় পেকুয়ায় পুলিশের কাজে বাঁধা ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে পৃথক দুটি মামলা দাযের করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পেকুয়া থানার ওসি মোহাম্মদ ওমর হায়দার।

প্রতিটি মামলায় ১৫১ জনকে প্রত্যক্ষ আসামী করা হয়েছে। পুলিশ এসল্ড মামলায় অজ্ঞাত দু’হাজার এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় অজ্ঞাত দেড় হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে। দুটি মামলায় প্রধানতম আসামি করা হয়েছে পেকুয়া সদর জামায়াতের আমীর নুরুজ্জামান মনজু, বারবাকিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও জামায়াত নেতা বদিউল আলম ও উপজেলা জামায়াত আমীর আবুল কালাম। মামলা দুটির বাদী এসআই মুফিজুল ইসলাম।

বুধবার (১৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় মামলাগুলো নথিভুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চকরিয়া থানার ওসি জাবেদ মাহমুদ।

অপরদিকে চকরিয়ায় পুলিশের উপর হামলা ও দোকানী নিহতের ঘটনায় পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসআই ফোরকানুল ইসলাম বাদি হয়ে পুলিশের কাজে বাঁধা অভিযোগ এনে করা মামলায় অজ্ঞাতনামা দুই থেকে তিন হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে। বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা মামলায় ৭৫ জন এজাহারনামীয় এবং অজ্ঞাত নামা আসামি হয়েছেন আরো কয়েকশ জন। এছাড়াও দোকানী ফোরকানুল ইসলাম (৬০) নিহতের ঘটনায় তার স্ত্রী বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এতে অজ্ঞাত ব্যক্তির গুলিতে তিনি মারা গেছেন উল্লেখ করা হলেও আসামির সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি। 

উল্লেখ্য, আল্লামা সাঈদীর গায়েবানা জানাজা পড়ে ফেরার পথে পেকুয়ার বারবাকিয়া ও চকরিয়ার চিরিংগা বাজারে লামার চিরিঙ্গা এলাকায় পুলিশের ওপর হামলা করা হয়। হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ওসি, ইউএনও, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, এসি-ল্যান্ডসহ অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি। সহিংসতার একপর্যায়ে দুর্বৃত্তদের করা গুলিতে নিহত হন এক দোকানী। স্থানীয় ৭ জন আহত হন। এ সময় আহত হয়েছেন দুই থানার ওসিসহ ২০ পুলিশ সদস্যও।

ইত্তেফাক/পিও