ঘিওরে ভাঙা রাস্তা, দুর্ভোগে পাঁচ গ্রামের মানুষ

আপডেট : ১৮ আগস্ট ২০২৩, ১৪:১৩

মানিকগঞ্জের ঘিওরে মাত্র ৩০ ফুট রাস্তা ভাঙার কারণে পাঁচ গ্রামের মানুষ ভোগান্তিতে আছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বেচ্ছাশ্রমে এখানে দেওয়া বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাচল করছে শিক্ষার্থীসহ শত শত এলাকাবাসী।

উপজেলার বানিয়াজুরী ইউনিয়নে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের তরা থেকে পূর্ব কুমুল্লী গ্রাম পর্যন্ত চার কিলোমিটার জনবহুল রাস্তা। এই রাস্তার উত্তর তরা এলাকার প্রাথমিক বিদ্যালয় মোড়ে ৩০ ফুট রাস্তা সম্প্রতি ভারী বর্ষণে ভেঙে প্রায় সাত ফুট গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

রাস্তার এই অংশের এক পাশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটি উচ্চ বিদ্যালয় রয়েছে। অপরপাশে রয়েছে একটি সরকারি পুকুর। স্কুল ও আশপাশের বৃষ্টির পানির ঢল নামে রাস্তার এই অংশ দিয়ে। ফলে ভারী বর্ষণের ফলে প্রতি বছরই ভেঙে যায় রাস্তা। এ কারণে বন্ধ রয়েছে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল। প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। নির্মাণের ৩০ বছর পেরিয়ে গেলেও স্থায়ীভাবে সংস্কার হয়নি জনগুরুত্বপূর্ণ  ইটসোলিং রাস্তার এই অংশটি। ভুক্তভোগীরা রাস্তাটি পাকাকরণে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করে জরুরি প্রতিকার দাবি করেছেন।

বানিয়াজুরী ইউনিয়নের উত্তর তরা, কেল্লা, পূর্ব কুমুল্লী, সড়কঘাটা ও চকবাস্তা গ্রামের বাসিন্দাদের চলাচলের একমাত্র রাস্তা এটি। এই রাস্তার ভাঙা অংশের ওপর ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে উত্তর তরা জনতা উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা চলাচল করে। জেলার অন্যতম তরা হাটে পাঁচ গ্রামের মানুষ এ রাস্তা দিয়ে চলাচলে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।

এ ছাড়াও ভাঙা সড়কের কারণে সমস্যায় আছেন কৃষকরা। তাদের উত্পাদিত ফসল ঘরে তোলা থেকে শুরু করে হাটে নেওয়ার সময়ও ঘটেছে অসংখ্য দুর্ঘটনা।

বানিয়াজুরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস আর আনসারী বিল্টু বলেন, রাস্তাটি সংস্কারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি। বর্তমানে ফান্ড নেই। তবুও জনসাধারণের চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম জানান, তিনি নতুন যোগদান করেছেন। সরেজমিন পরিদর্শন করে জনসাধারণের ভোগান্তি লাঘবে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ইত্তেফাক/আরএজে