নিম্ন আদালতের বিচারককে হাইকোর্টে তলব

আপডেট : ২৬ জুন ২০১৯, ২২:২২

স্থগিতাদেশ সত্ত্বেও মামলার কার্যক্রম পরিচালনা

ইত্তেফাক রিপোর্ট

উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ থাকার পরও অস্ত্র মামলার কার্যক্রম চালানোয় ঢাকা মহানগর বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মো. আল মামুনকে তলব করা হয়েছে। আগামী ৩ জুলাই তাকে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। ওইদিন ওই আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর সাহাবউদ্দিন মিয়াকেও হাজির থাকতে বলা হয়েছে। বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল বুধবার এই আদেশ দেন।

‘অশীতিপর রাবেয়া; আদালতের বারান্দায় আর কত ঘুরবেন তিনি’ শীর্ষক শিরোনামে গত ২৫ এপ্রিল একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদন যুক্ত করে রিট করেন আইনজীবী মো. আশরাফুল আলম নোবেল। এতে বলা হয়, অবৈধ অস্ত্র ও গুলি নিজ হেফাজতে রাখার অপরাধে তেজগাঁও থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবদুর রাজ্জাক বাদী হয়ে অশীতিপর রাবেয়া খাতুনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।

২০০২ সালের ২ জুন দায়েরকৃত এ মামলায় তিনি গ্রেফতার হয়ে ছয় মাস কারাভোগ করেন। পরে জামিনও পান। তাকেসহ দুই আসামি জুলহাস ও মাসুদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে ২০০৩ সালের ২৪ মার্চ শুরু হয় মামলার বিচার। কিন্তু দেড় যুগেও মামলার বিচার শেষ না হওয়ায় উষ্মা প্রকাশ করে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে গত ৩০ এপ্রিল মামলার কার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিতের পাশাপাশি নথি তলব করে। কিন্তু হাইকোর্টের আদেশ থাকার পরও মামলার কার্যক্রম চালানোর বিষয়টি নথিতে উল্লেখ থাকায় এ তলবের আদেশ দেওয়া হয়।

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জাহিদ সারওয়ার কাজল বলেন, ২০০২ সালে মামলা দায়েরের এজাহারে রাবেয়া খাতুনের বয়স উল্লেখ করা হয় ৬০ বছর। সেই হিসেবে এখন তার বয়স হবে ৭৮ বছর। এ পর্যায়ে আদালত রাবেয়া খাতুনের ভোটার আইডি কার্ড দাখিলের নির্দেশ দেয়। এছাড়া মামলার অন্যতম আসামি জুলহাস মিয়া মারা গেছেন কি-না, সে বিষয়ে ডিএমপি কমিশনারকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।