কমলাপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ
ইত্তেফাক রিপোর্ট
রাজধানীর কমলাপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আদালতের নির্দেশে প্রতিষ্ঠানে যোগদান করতে গেলে তার ওপর হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এসময় সন্ত্রাসীরা তার সঙ্গে থাকা ল্যাপটপ, বেশ কিছু টাকা, মূল্যবান কাগজপত্র ও দুইটি ব্যাংকের চেকবইসহ ব্যাগটি ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে মুগদা থানায় গেলে পুলিশ তার কোনো অভিযোগ গ্রহণ করেনি। গতকাল সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অধ্যক্ষ বশির আহমেদ এই অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে অধ্যক্ষ বশির আহমেদ জানান, কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি তার কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এতে অস্বীকৃতি জানালে গত ১২ এপ্রিল থেকে কলেজে আসতে নিষেধ করে দেওয়া হয়। ১৫ এপ্রিল কলেজে গেলে তাকে রাত সাড়ে আটটায় বাধ্যতামূলক ছুটির চিঠি দেওয়া হয়। এর প্রেক্ষিতে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন করেন তিনি। রিটের কথা জানতে পেরে কলেজ পরিচালনা কমিটি ২০ এপ্রিল মুগদা থানায় তার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ এনে মামলা করেন।
রিটের প্রেক্ষিতে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে ডিভিশন বেঞ্চ বাধ্যতামূলক ছুটি ছয় মাসের জন্য স্থগিত করে ছয় কর্মদিবসের মধ্যে তাকে যোগদান করাতে পরিচালনা কমিটির সভাপতিকে নির্দেশ দেয়। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় তিনি যোগদানের উদ্দেশ্যে কলেজ অধ্যক্ষের কক্ষে গেলে পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও শিক্ষক ফারহানা সিদ্দিকী বাধা দেয়। পরে ২০/২৫ জন সন্ত্রাসী অধ্যক্ষের রুমে তাকে মারধর করে। জোরপূর্বক বাধ্যতামূলক ছুটি প্রদান, উদ্দেশ্য প্রণোদিত বানোয়াট অভিযোগে তিনটি মামলা, শারীরিক নির্যাতনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেন।
