দেশের বৈদেশিক আয়ের সিংহভাগই আসে তৈরি পোশাক রপ্তানি ও অভিবাসী কর্মীদের প্রেরিত রেমিট্যান্স থেকে। দেশের জুয়েলারি শিল্পে যে অমিত সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে তাতে অনুমান করা যায় সরকারি বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা থাকলে জুয়েলারি শিল্পও তৈরি পোশাক রপ্তানির মতো বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে। অভ্যন্তরীণ বাজারের চাহিদা মিটিয়ে জুয়েলারি শিল্প একদিন বিশ্ববাজারে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করবে বলে আমাদের বিশ্বাস। বাংলাদেশের জুয়েলারি শিল্প তথা স্বর্ণ ব্যবসায়ের সবচেয়ে বড় ক্ষত হচ্ছে চোরাচালান ।
স্বর্ণ চোরাচালানের কারণে সরকার একদিকে যেমন বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, অন্যদিকে বৈধ ব্যবসায়ীরা স্বর্ণ তথা জুয়েলারি ব্যবসা পরিচালনা করতে হিমশিম খাচ্ছে। তবে প্রকৃত জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত নয়। স্বর্ণ চোরাচালান বন্ধে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে আরও কঠোর নজরদারি করতে হবে। গতকাল কাওরান বাজারস্থ এটিএন বাংলার প্রধান
কার্যালয় ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ জুয়েলারি শিল্পের বিকাশ নিয়ে আয়োজিত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন দলকে দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এটিএন বাংলা ও এটিএন নিউজের চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউসুফ, বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)-এর সাবেক সভাপতি ডা. দিলীপ কুমার রায়, এটিএন বাংলার সিনিয়র উপদেষ্টা নওয়াজীশ আলী খান, অধ্যাপক ড. আবু সৈয়দ মো: আজিজুল ইসলাম ও এটিএন বাংলার উপদেষ্টা তাশিক আহমেদ। ড. মাহফুজুর রহমান বলেন, জুয়েলারি শিল্পের বিকাশে কর সুবিধা প্রদান করা উচিত। বাংলাদেশ যাতে কোনোভাবে স্বর্ণ চোরাচালানের রুট হিসেবে ব্যবহার না হয় তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি আরও বলেন সরকারি বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা থাকলে জুয়েলারি শিল্প একদিন রপ্তানিখাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
