ডিম-মুরগির বাজারে অস্থিরতার জন্য দায়ী প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর

অভিযোগ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশনের

আপডেট : ২৪ আগস্ট ২০২৩, ০১:১০

ডিম-মুরগির বাজারে অস্থিরতার জন্য প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরকে দায়ী করে বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. সুমন হাওলাদার বলেছেন, অধিদপ্তরের অসাধু কিছু কর্মকর্তার জন্য করপোরেট ব্যবসায়ীরা সবকিছু তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।

গতকাল বুধবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। 

সুমন হাওলাদার বলেন, সরকার শুধু করপোরেট ব্যবসায়ীদের নিয়ে মিটিং করে ডিমের উৎপাদন খরচ সাড়ে ১০ টাকা নির্ধারণ করেছে। কারণ তাদের ডিমের উৎপাদন খরচ কম। কিন্তু প্রান্তিক খামারিদের ডিম উৎপাদন খরচ ১০ টাকা ৭৯ পয়সা। সেক্ষেত্রে ভোক্তা পর্যায়ে ১৩ টাকায় ডিম বিক্রি করলে সঠিক একটা মূল্য থাকবে। কিন্তু সরকার ১২ টাকা খুচরা মূল্য দিয়েছে। আমরা ১২ টাকাতেই ডিম বিক্রি করব কিন্তু সেই ক্ষেত্রে উৎপাদন খরচ কীভাবে কমানো যায়, সে বিষয়ে সরকারকে কাজ করতে হবে। ফিডের খরচ কমাতে হবে। তিনি বলেন, এক দিন বয়সী মুরগির বাচ্চা আমদানি নিষিদ্ধ করছে সরকার। এতে করপোরেট ব্যবসায়ীরা কন্টাক্ট ফার্মিংয়ে ঝুঁকছে। এরপর তারা আর প্রান্তিক খামারিদের কাছে মুরগির বাচ্চা বিক্রি করবে না। কন্টাক্ট ফার্মিংয়ে মাধ্যমে তারা শুধু উৎপাদন করবে। এতে করে বাজারে ডিম ও মুরগির সংকট দেখা দেবে।         

সংবাদ সম্মেলনে তেজগাঁও ডিম সমিতির সভাপতি মো. আমান উল্লাহ বলেন, তেজগাঁও ডিম সমিতি ডিমের মূল্য নির্ধারণ করে না। খামারিরা যে দাম নির্ধারণ করে, আমরা সেই দামে কিনে বাজারজাত করে থাকি। তিনি বলেন, করপোরেট গ্রুপগুলো প্রায়ই বলে বেড়ায়, মধ্যস্বত্বভোগীরা বাজারে অস্থিরতা তৈরি করে। আমরা এর প্রতিবাদ জানাই। খামারে যদি দাম বাড়ে তবে বাজারেও বাড়বে। খামারে কমলে বাজারে দাম কমবে এটাই স্বাভাবিক। এতে আমাদের কোনো হাত নেই।

ইত্তেফাক/এমএএম