কাঠবাদামের পুষ্টিগুণ 

আপডেট : ৩০ আগস্ট ২০২৩, ১৮:৩১

আগে মনে করা হতো, কাঠবাদাম খেলে ওজন বাড়ে, কিন্তু বেশ কয়েকটি গবেষণায় দেখা যায়, কাঠবাদাম ওজন কমাতেও সাহায্য করে। আসলে ৪-৫টা কাঠবাদাম খেলেই পেট ভর্তি হয়ে যায়। ফলে ক্ষুধা পেলেই আমরা প্রয়োজনের অতিরিক্ত খেয়ে ফেলি, তা নিয়ন্ত্রণ করে কাঠবাদাম।

বিভিন্ন রকমের ড্রাই ফ্রুটের মধ্যে আমন্ডের নিউট্রিশিয়ান ভ্যালু অনেক বেশি। অনেকের ধারণা আছে যে, ড্রাই ফ্রুট খেলে ওজন বেড়ে যেতে পারে। বলা বাহুল্য, এই ধারণা একেবারেই ভুল। হ্যাঁ মানছি, কোনো কিছু অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

কিন্তু পরিমিত পরিমাণে আপনি যদি আমন্ড খাতে পারেন তাহলে এর মতো উপকারী ড্রাই ফুড আর দুটি নেই। কাঠবাদামে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকার পাশাপাশি এত রয়েছে মোনোয়ানস্যাচুরেটেড ও পলি আনস্যাচুরেটেড অয়েল, প্রোটিন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, জিঙ্ক এবং ভিটামিন ই। এছাড়াও কাঠবাদামে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ফ্ল্যাভোনয়েড, যা বিভিন্ন রকমের রোগ প্রতিরোধে খুবই কার্যকরী।

মনে রাখুন

  • প্রতিদিন ৪-৫টা কাঠবাদামই যথেষ্ট। 
  • প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে আগের দিন রাতে দুধে অথবা পানিতে ভিজিয়ে রাখা কাঠবাদাম খান। খালি পেটে খেলে কাঠবাদামের মজুত পুষ্টিগুণ শরীরে তাড়াতাড়ি অ্যাবজর্ভড হবে।
  • কাঠবাদামে প্রচুর পরিমাণে ফলিক অ্যাসিড এবং ভিটামিন বি থাকে। গর্ভাবস্থায় কাঠবাদাম খেলে গর্ভস্থ সন্তানের জন্ম-ত্রুটি হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে।
  • ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ রাখতেও কাঠবাদাম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধে কাঠবাদামের উপকারিতা অনেক।
  • কাঠবাদামের ভিটামিন-বি চুল মজবুত করে এবং নখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।   

কেন খাবেন

ব্রেন ডেভেলপমেন্টের জন্য কাঠবাদামের ভূমিকা অনন্য। প্রতিদিন সকালে তিন-চারটে কাঠবাদাম  দুধে মিশিয়ে শিশুদের খাওয়ালে তাদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়।

প্রতিদিন নিয়ম করে কাঠবাদাম খেতে পারলে গুড কোলেস্টরেল অথবা এইচডিএল’র মাত্রা বাড়ে এবং ব্যাড কোলেস্টরেলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।

কাঠবাদাম মজুত মোনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট,   প্রোটিন এবং পটাশিয়াম হার্ট ভালো রাখতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 

ইত্তেফাক/আরএম

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন