সাঈদীর ভিডিও শেয়ার: যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ, ওসি’র মীমাংসার প্রস্তাব

আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ২২:১১

মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ওয়াজের ভিডিও ফেসবুকে শেয়ার করার অভিযোগে যুবলীগ এক নেতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযুক্ত নেতা মো. জাকির হোসেন সিংগাইর উপজেলার জয়মন্টপ ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি এবং চরদুর্গাপুর গ্রামের মৃত সোরহাব হোসেনের ছেলে। 

ওই ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি মো. মঞ্জুরুল করিম গত ২৮ আগস্ট তার বিরুদ্ধে থানায় এ অভিযোগ দায়ের করেন। তবে ওসি মামলা এখনো না নিয়ে মীমাংসার প্রস্তাব দিচ্ছেন বলে বাদী মঞ্জুরুল করিম এমনটাই বললেন। 

তিনি আরও বলেন, এমপির কমিটির লোক বলে হয়তো তার চাপে ওসি মামলা না নিয়ে আমাকে মীমাংসার কথা বলছেন। আমি এতে রাজি হয়নি। থানার এসআই আলমগীর বিষয়টি তদন্ত করেও গেছেন।  আমি আবারও ওসির কাছে যাব মামলা নেওয়ার অনুরোধ করতে।
 
জানা গেছে, গত ৮ আগস্ট জয়মন্টপ ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা মো. জাকির হোসেন তার ফেসবুক আইডিতে মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর একটি ভিডিও শেয়ার করেন। সেখানে ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি মঞ্জুরুল করিমসহ একাধিক নেতাকর্মীরা প্রতিবাদ করেন। পরে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের তীব্র প্রতিবাদে জাকির হোসেন তার পোস্টটি ডিলিট করেন। এ বিষয়ে গত ২৮ আগষ্ট যুবলীগ নেতা জাকির হোসেনকে আসামি করে একটি অভিযোগ দায়ের করেন সাবেক যুবলীগ নেতা মঞ্জুরুল করিম। 

মঞ্জুরুল করিম বলেন, জাকির হোসেনের শেয়ার করা ভিডিওটির কমেন্টে আমিসহ একাধিক নেতা-কর্মীরা তীব্র প্রতিবাদ জানালে তিনি পোস্টটি ডিলিট করে দেন। এ বিষয়ে গত ২৭ আগস্ট জাকির হোসেন আমাকে নিয়ে তার ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, আমি তার মোবাইল নিয়ে ফেসবুক আইডিতে মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ভিডিওটি শেয়ার করেছি।
 
অভিযুক্ত মো. জাকির হোসেন বলেন, আমি ও সাবেক সভাপতি মঞ্জুরুল করিম একসাথে বসে জয়মন্টপ বাসষ্ট্যান্ডে সোনাইয়ের চায়ের দোকানে চা খাই। এমন সময় দোকানে কাস্টমার আসায় তাড়াহুড়ো করে ভুল করে আমার ব্যবহৃত মোবাইল সেটটি রেখে চলে আসি। এরই ফাঁকে মঞ্জুরুল করিম আমার মোবাইল ফোন দেলওয়ার হোসাইন সাঈদীর একটি পোষ্ট শেয়ার করেন। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। তবে মঞ্জুরুল করিম বলেন, চা খাওয়া তো দূরের কথা তার সঙ্গে আমার এক বছর ধরে কোনো যোগাযোগ নেই। 

থানার ওসি (তদন্ত) মানবেন্দ্র বালো বলেন, এ ব্যাপারে থানায় কেউ আসেনি। 

থানার ওসি সৈয়দ মিজানুর ইসলাম বলেন, এ বিষয় একটি অভিযোগ পেয়েছি। মামলা হয়নি। তবে বাদী ও বিবাদীর নাম জানা নেই।

ইত্তেফাক/পিও