গুজব বা অপপ্রচার চালিয়ে জাতীয় নির্বাচনে সহিংসতা ছড়ানোর জন্য দেশি বিদেশি বেশ কয়েকটি সংস্থা সক্রিয় বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম। শনিবার সকালে রাজধানীর সেগুন বাগিচায় একটি রেস্টুরেন্টে মিডিয়া মিউজিয়াম অব বাংলাদেশ আয়োজিত ‘জাতীয় নির্বাচনঃ গুজব সহিংসতা প্রতিরোধে সম্প্রচার মাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি গুজব ঠেকাতে, ঘটনাস্থলের সঠিক সংবাদ দ্রুত পরিবেশন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরো সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। পাশাপাশি গণমাধ্যম কর্মীদেরও আরও বেশি দায়িত্বশীলতার পরিচয় রাখার উপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
মিডিয়া মিউজিয়াম অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট এমএম বাদশাহ’র সঞ্চালনায় গোলটেবিল বৈঠকে আলোচক ছিলেন সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার, জিটিভি ও সারাবাংলা ডট নেটের এডিটর ইন চিফ সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, চ্যানেল২৪ এর বার্তা প্রধান রাহুল রাহা, ইনডিপেনডেন্ট টিভির সিএনই আশীষ সৈকত, এসএটিভির সিএনই ফৈরদৌস মামুন, মিডিয়া মিউজিয়াম অব বাংলাদেশের পরিচালক রিদওয়ান তুহিন প্রমুখ।
সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘বিএনপি আমলেও আমাদের প্রতিপক্ষ ভাবা হয়েছে, এখনো নির্যাতিত হতে হচ্ছে। সামনে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে বলে আশা করা হচ্ছে। নির্বাচন হয়ে গেলেই যে দেশে গণতন্ত্র কার্যকর হবে তা নয়। গণতন্ত্র কার্যকর করতে সব দলের ভূমিকা থাকা দরকার। ফেইক নিউজ গণতন্ত্র কার্যকরের ক্ষেত্রে বাধা ও হুমকিস্বরূপ। নির্বাচনে সবাই যাতে ভোট দিতে পারে তা নিশ্চিত করতে হবে।
ডিএমপি’র অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেন, আমরা সামপ্রতিক সময়ে দুই ধরনের গুজব দেখেছি। একটি ইনোসেন্ট গুজব যা কোনো অপরাধের সম্ভাবনা সৃষ্টি করে না। আর অপরটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার যার মাধ্যমে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিসহ দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। আর এই সব গুজব দুইভাবে ছড়িয়ে পড়ে— সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অনলাইন নিউজ পোর্টালের মাধ্যমে। গুজব ঠেকাতে গণমাধ্যমের অনেক বড় ভূমিকা রয়েছে। একটি নিউজ প্রচার করার আগে নিউজের সত্যতা যাচাই করা অতীব জরুরি।
